শিরোনাম
◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল ◈ কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর-হামলা ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়?

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৩৮ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারে ফের পাহাড়ধস, গৃহবধূ নিহত

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারে টানা বৃষ্টিতে আবারও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে লিমা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার স্বামী জসিম উদ্দিন আহত হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের একটি অংশ ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়ে। এতে লিমা আক্তার ও তার স্বামী জসিম উদ্দিন মাটিচাপা পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিমাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জসিম হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রতিবেশীদের দাবি, পাহাড়ের নিচে থাকা আরও কয়েকটি ঘর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। সেখানে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement

কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। 

তিনি বলেন, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় এখনও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আটজন, কক্সবাজার শহরের সাত্তারঘোনা এলাকায় একজন এবং পেকুয়ায় একজনের মৃত্যু হয়। গত দুই দিনে কক্সবাজারে পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলে ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে‌।

  • সর্বশেষ