শিরোনাম
◈ টবের সাধারণ গাছের পাতায় লুকিয়ে শহর পরিকল্পনার গাণিতিক নকশা ◈ শেখ হাসিনার যে দায়, হাসানুল হক ইনুরও একই দায়: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ভারতের অরুণাচলে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, ঐতিহ্যবাহী জমি দখলের দাবি আদিবাসীদের ◈ নোট বাতিলের প্রস্তাব: অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? সফলতা কতটা? মুদ্রা বাতিলে যত ঝুঁকি ◈ প্রথমবারের মতো পুলিশে এএসআই পদে নিয়োগ, প্রত্যাশিত সাড়া নেই ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: খুন-ডাকাতি কমেছে, অভিযোগের সুযোগ বাড়ায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা; রুমিনের পোশাকেও নেই আপত্তি ◈ সংসদে রুমিন ফারহানার পোশাক পরিধানের বিষয় নিয়ে আলোচনা ◈ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয়  বাজেট পাস, ১ জুলাই থেকে কার্যকর  ◈ খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে ২ জুলাই  ইরানে যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ◈ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড 

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২৬, ০৭:২৪ বিকাল
আপডেট : ৩০ জুন, ২০২৬, ০৮:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএনপি নেতাদের আমন্ত্রণ না দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ, বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভাঙচুর

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : একটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকে আমন্ত্রণ না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলের প্যান্ডেল, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর এবং রান্না করা খাবার নষ্ট করা হয়। এতে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ৭০নং জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জহুরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত হতে শুরু করলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থক ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে যান। তারা আয়োজকদের কাছে জানতে চান, স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকে কেন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। একই সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে কেন প্রধান অতিথি করা হয়েছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে আয়োজকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে অনুষ্ঠানস্থলে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় প্যান্ডেল, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরের পাশাপাশি রান্না করা খাবারও নষ্ট করা হয়। পরিস্থিতির কারণে অনুষ্ঠানটি আর অনুষ্ঠিত হয়নি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শেখ, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ সরদার এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির দুলাল সরদারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ফজলুর রহমানের।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অথচ সুবিধাভোগী কিছু বিএনপি নেতাকে অতিথি করা হয়েছে। এ নিয়ে অনেকের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। বিষয়টি জেলা পর্যায়ের নেতাদেরও জানানো হয়েছিল। পরে সেখানে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তবে ব্যানার ছেঁড়া ও চেয়ার ভাঙচুরের সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানস্থলে রীতিমত তাণ্ডব চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিরাজুল ইসলাম সরদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়