শিরোনাম
◈ ২৪ জেলার চিত্র বদলে দেবে পদ্মা ব্যারাজ ◈ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যেসব ঘটনায় আলোচনায় ◈ মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বাংলাদেশেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ কিশোর–কিশোরীদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ দুবাইয়ে আটক বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইতে পাঠানো হয়েছে প্রত্যর্পণ আবেদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ২১ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কূটনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কৌশল আর উৎসবের আমেজে জমজমাট এফডিসি

প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০২৬, ০৭:২১ বিকাল
আপডেট : ২০ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবীনগরে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ, তীব্র লোডশেডিংয়ে জনদুর্ভোগ

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিদ্যুতের তীব্র সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় দিনের বেশির ভাগ সময় লোডশেডিংয়ে কাটছে উপজেলার বাসিন্দাদের। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বৈরী আবহাওয়া না থাকলেও কয়েক দিন ধরে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। অনেক এলাকায় দিনে কয়েক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আবার বিদ্যুৎ এলেও তা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে না। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

নবীনগর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বর্তমানে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট। তবে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮ মেগাওয়াটের মতো। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের বড় ধরনের ঘাটতির কারণে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

নবীনগর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসেন বলেন, “উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট। কিন্তু বর্তমানে আমরা পাচ্ছি মাত্র ৮ মেগাওয়াটের মতো। ফলে নির্ধারিত সময়ের বাইরেও লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

উপজেলা সদরের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। ফ্রিজ, কুলার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সচল রাখতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তাঁরা। বিশেষ করে খাবার ও ঠান্ডা পানীয় বিক্রেতারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা বলেন, চলমান গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। রাতের বেলায় লোডশেডিংয়ের কারণে ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, লোডশেডিংয়ের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় কখন বিদ্যুৎ থাকবে আর কখন থাকবে না, তা বোঝা যাচ্ছে না। এতে দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে ডিজিএম মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসেন বলেন, “জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং অব্যাহত থাকতে পারে।”

এদিকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে জনদুর্ভোগ কমানোর দাবি জানিয়েছেন নবীনগরের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়