শিরোনাম
◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায় ◈ বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ট্যুরিস্ট ভিসার আড়ালে বাংলাদেশে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ছেন চীনা নাগরিকরা ◈ দ্বিতীয় টে‌স্টে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে জিত‌তে না পার‌লে আত্মসম্মানের ব্যাপার ছিল: প‌্যাট কা‌মিন্স ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ ◈ ‘আমার ৯ বিয়ের তথ্য মিথ্যা, কোনো পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত নই’: ইসলামী আন্দোলন নেতা মিছবাহর চ্যালেঞ্জ ◈ বঙ্গভবনে প্রথম দিনের দাপ্তরিক কাজ শুরু নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির ◈ প্রাথমিক শিক্ষায় মনিটরিং-জবাবদিহিতায় আসছে নতুন নীতিমালা

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৬, ১০:১৭ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্রেতা না পেয়ে শতাধিক কোরবানির চামড়া নদীতে ফেলে দিলেন দুই ব্যবসায়ী

ফেনীর দাগনভূঞায় ক্রেতা না পেয়ে শতাধিক কুরবানির পশুর চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মমারিজপুর গ্রামের দিদারুল আলম ও খুরশিদ আলম এসব চামড়ার ক্রেতা না পেয়ে নদীতে ফেলে দেন।

শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে উপজেলার মমারিজপুর গ্রামের কাটাখালী নদীতে চামড়াগুলো ফেলা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু বাড়তি আয়ের আশায় মৌসুমি ব্যবসায়ী দিদারুল আলম ও খুরশিদ আলম কুরবানির ঈদের দিন বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক গরু ও খাসির চামড়া সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য স্থানীয় বাজারে নেওয়া হলেও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কোনো চামড়া ব্যবসায়ীর দেখা পাননি।

এদিকে সংরক্ষণের অভাবে চামড়াগুলোতে পচন ধরতে শুরু করে। একপর্যায়ে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে ভ্যানগাড়িতে করে চামড়াগুলো কাটাখালী নদীতে ফেলে দেন তারা। পরে সেগুলো নদীর স্রোতে ভেসে যায়।

ঘটনার পর রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শহিদুল ইসলাম তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরবর্তীতে দুই ব্যবসায়ী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান।  ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর করবেন না বলেও জানান তারা।

খুরশিদ আলম বলেন, কিছু লাভের আশায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে নগদ অর্থ দিয়ে চামড়াগুলো কিনেছিলাম। বিক্রির আশায় বৃহস্পতিবার রাতভর অপেক্ষা করলেও কোনো ব্যবসায়ী আসেননি।  প্রচণ্ড গরমে চামড়াগুলো পচে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে নদীতে ফেলে দিতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এতে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

নদীতে বিপুল পরিমাণ চামড়া ফেলে দেওয়ায় পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান বলেন, চামড়াগুলোর পচা দুর্গন্ধে পানি দূষিত হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলাম বলেন, চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার ভিডিও প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিক্রি না হওয়ার বিষয়টি তারা প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানাতে পারতেন। পরে দুই মৌসুমি ব্যবসায়ী তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ