শিরোনাম
◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা, বাস্তবায়নেই যত শঙ্কা ◈ বিদ্যুৎসংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা, মিলল ৫ প্রস্তাব ◈ ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শ্রীমঙ্গলে মসজিদের ভেতর নির্মম হত্যাকাণ্ড, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

মোঃ জালাল উদ্দিন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় একটি মসজিদের ভেতরে ফজরের নামাজ চলাকালে এক মুসল্লিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (০৩ মে ২০২৬) ভোরে উপজেলার পশ্চিম লইয়ারকুল জামে মসজিদে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি হাফিজ মিয়া, তিনি পশ্চিম লইয়ারকুল এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় একই এলাকার জসিম মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে ফজরের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে যান হাফিজ মিয়া। নামাজের প্রস্তুতির সময় হঠাৎ জসিম মিয়া তার ওপর হামলা চালান। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে মসজিদের ভেতরেই তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় মসজিদের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আঘাতে নিহতের মুখমণ্ডল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার প্রাণহানি ঘটে।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত জসিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছিলেন। তবে নিহতের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল বলে জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।

শ্রীমঙ্গল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজিব চৌধুরী বলেন, “ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত ও অভিযুক্ত উভয়েই একই এলাকার বাসিন্দা।”

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীকে আটক করে। তিনি বর্তমানে আমাদের হেফাজতে আছেন। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।”

এদিকে ধর্মীয় স্থানে এমন নৃশংস ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

  • সর্বশেষ