নাটোরের বড়াইগ্রামে অনুশীলনে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে গানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ওই ছাত্রীর অভিভাবক থানায় অভিযোগ করেন। এর পরই অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর আগে ২২ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নগর ইউনিয়নের মশিন্দা বাজারস্থ সুরের সাথী সংগীত ক্লাবে ওই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মিঠুন মোল্লা (২৬)। তিনি উপজেলার নগর মশিন্দা গ্রামের আক্কাস আলী মোল্লার ছেলে। এ ঘটনার পর মিঠুন মোল্লা পলাতক রয়েছেন। তবে ধর্ষণে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত মিঠুনের বড় ভাই খায়রুল মোল্লা (৪৫) ও অপর এক সহযোগী নারী শিল্পী মেঘলা আক্তারকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মেঘলা একই গ্রামের মারুফত ইসলামের মেয়ে।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১০টার দিকে গানের শিক্ষক মিঠুন মোল্লা প্রোগ্রামের জন্য গানের অনুশীলন করতে হবে বলে উপজেলার বনপাড়া পৌর শহরের দিয়ারপাড়া এলাকায় বসবাসকারী এক ছাত্রীকে (১৪) তার সুরের সাথী সংগীত ক্লাবে ডেকে নেয়। সেখানে মিঠুনের বড়ভাই খায়রুল ও অপর নারী শিল্পী মেঘলা উপস্থিত ছিলেন। তারা ক্লাবের মূল ফটক বন্ধ করে অনুশীলন করছিলেন।
এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বড় ভাই খায়রুল ও নারী শিল্পী মেঘলা মিউজিক বাজিয়ে গানের অনুশীলন করেন। এ সময় তাদের পেছনের দিকে ফ্লোরে ওই ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় মিঠুন। পরদিন সকালে ছাত্রীর অভিভাবক থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানান, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মূল আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।