শিরোনাম
◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের ◈ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কা‌ছে ৪ রানে হার, রানার্সআপ বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৩ রাত
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রামপালে সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ, উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে স্বাভাবিক হলো পানি প্রবাহ

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের এ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঝনঝনিয়া-নালিয়ার খালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, খালের ওপর অবৈধভাবে মাটি ফেলে বাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল।

প্রশাসনের উপস্থিতিতে অবৈধ বাঁধ কেটে অপসারণ করা হলে খালের পানি দ্রুত স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এতে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

Advertisement

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, “খালটি এলাকার কৃষি উৎপাদন, পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবৈধ বাঁধ অপসারণের মাধ্যমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যদি সরকারি খাল, নদী বা জলাশয়ে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ কিংবা দখলদারিত্বের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসী প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খালের পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষিকাজে সুবিধা হবে এবং জলাবদ্ধতা সমস্যাও কমবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি খাল ও জলাশয় রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং ও দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে পরিবেশ রক্ষা, কৃষি উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

  • সর্বশেষ