শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:১৩ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিজের বিয়ে ঠেকাতে পুলিশের দ্বারস্থ এসএসসি পরীক্ষার্থী

নিজের বিয়ে থামাতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের সাহায্য নিতে দুই দফা থানায় গিয়েছেন পিরোজপুরের এক স্কুল শিক্ষার্থী। শুক্রবার বাড়ি থেকে কৌশলে বের হয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দেন তিনি। মুচলেকা দিয়ে তার বাবা বাড়িতে এনে আবারও বিয়ের চাপ দিলে শনিবার ফের থানায় আশ্রয় নেন ওই স্কুলছাত্রী। 

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার উপজেলার চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদার তার মেয়ে তহমিনাকে প্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করে। তবে বিয়েতে তহমিনা রাজি ছিলেন না। সে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ইন্দুরকানী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। পরে থানায় বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তহমিনাকে বাড়িতে নিয়ে আসে আলম। কিন্তু বাড়ি আনার পরই পরিবারের লোকজন তহমিনাকে নানাভাবে মানসিক চাপ প্রয়োগ করে এবং বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর শনিবার সকালে তহমিনা আবারও থানায় গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে।

তহমিনা থানায় বসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে যদি আবারও বাড়িতে পাঠান, তাহলে আমার বাবা জোর করে বিয়ে দিবে। ৪ দিন পর আমার এসএসসি পরীক্ষা। আমি পরীক্ষা দিতে চাই এবং লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চাই। আমি প্রশাসন ও আপনাদের সহযোগিতা চাই।’

দ্বিতীয়বার থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে থানায় বসে মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিবেনা বলে অঙ্গীবার করে মুচলেকা দিয়ে বাবা আলম হাওলাদার তার মেয়েকে বাড়ি নিয়ে যান।
 
তহমিনার বাবা আলম হাওলাদার বলেন, ‘আমি গরীব মানুষ। ভালো ছেলে পাওয়ায় আমি মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য আয়োজন করি। কিন্তু মেয়ে বিয়েতে রাজি হয়নি। আমি সবার সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম। উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত তহমিনাকে বিয়ে দিবো না।

এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার এস আই সাইদুর রহমান বলেন, সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থী তহমিনা আক্তার। তিনি বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষার জন্য দুইবার থানায় এসেছে। আমরা তার অভিভাবককে ডেকে বাল্যবিবাহ দিবেনা এই মর্মে মুচলেকা রেখে তার বাবার কাছে দিয়েছি। উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ