শিরোনাম
◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ◈ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:৪৬ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাকে হত্যা, রক্তাক্ত অবস্থায় রাতভর লাশের পাশে বসে শিশু আবির!

ভোলার সদর উপজেলায় এক ওমান প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘাতকেরা ওই প্রবাসীর আট বছর বয়সি ছেলেকেও কুপিয়ে জখম করে মৃত ভেবে ফেলে যায়। ভীতসন্ত্রস্ত শিশুটি মায়ের নিথর দেহের পাশে রক্তাক্ত শরীরে বিভীষিকাময় এক রাত অতিবাহিত করেছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) গভীর রাতে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ সরদার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম নাসিমা বেগম (৪০)। তার স্বামী আল আমিন দীর্ঘ বছর ধরে ওমানে প্রবাসী।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা আল আমিনের ঘরে ঢুকে নাসিমা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। মায়ের পাশে থাকা ৮ বছরের শিশু আবির বিষয়টি টের পাওয়ায় তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। আবির ভয়ে ঘরের বাইরে গিয়ে প্রতিবেশীদের ডাকার সাহস পায়নি। ফজরের আজানের পর চারদিকে আলো ফুটলে সে ছুটে গিয়ে প্রতিবেশীদের ডেকে মায়ের হত্যাকাণ্ডের কথা জানায়। তখনো তার সমস্ত শরীর থেকে জখমের রক্ত ঝরছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
 
শিশু আবিরের অভিযোগ, প্রতিবেশী জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ তার মাকে হত্যা করেছে। আবির দেখে ফেলায় তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে জিহাদ তারা (মা-ছেলে) দুজনেই মারা গেছে ভেবে চলে যায়। এদিকে শিশু আবির যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে, তার বাবা জামাল মেম্বার একদিন আগেই মারা যান এবং শুক্রবারই তার দাফন সম্পন্ন হয়। একই রাতে জিহাদ এমন একটি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত হওয়ার অভিযোগে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
  
স্থানীয় ইউপি মেম্বার রাজিব জানান, আল আমিন প্রায় ১৫ বছর যাবৎ ওমানে আছেন। তার স্ত্রী নাসিমাও কিছুদিন ওমানে ছিলেন। এলাকায় তাদের কোনো শত্রুতার বিষয় তার জানা নেই। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন। এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যার কারণ উদ্ঘাটন ও বিচার দাবি করেছেন।
 
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিহত নাসিমার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে মো. জিহাদ নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ হত্যা মামলা করবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেবে। নিহত নাসিমার স্বামী আল আমিন দীর্ঘ বছর ওমান প্রবাসী। তাদের দুইজন সন্তান আছে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ