শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঈশ্বরদীতে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে তেলজাতীয় ফসল সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের আগ্রহ
বাড়ছে। গত দুই বছরের ব্যবধানে এ উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ ১৫০ হেক্টর থেকে বেড়ে ২০০
হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে, কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় স্থানীয় চাষিরা এই ফুল চাষে
উৎসাহিত হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২০০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। চাষিদের সহায়তায় সময়মতো সরকারি প্রণোদনাও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এবার মূলত ভারতীয় ‘টাটা’ জাতের হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষ করেছেন কৃষকরা। পৌর এলাকার নারিচা গ্রামের কৃষক খাইরুল ইসলাম এবার দুই বিঘা জমিতে সূর্যমুখী লাগিয়েছেন। তিনি জানান, সরকারি দপ্তর থেকে বীজ পেলেও জমি তৈরি, সার, সেচ ও শ্রমিক মিলিয়ে বিঘা প্রতি তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে। এপ্রিলের শেষ দিকে ফসল ঘরে তুলবেন বলে আশা করছেন তিনি।

খাইরুল ইসলাম আরও জানান, প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১১ মণ বীজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারে সাধারণ দরে বিক্রি করলে বিঘা প্রতি খরচ বাদে লাভ থাকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। তবে সরকারি সংস্থা বিএডিসি এই বীজ প্রতি মণ ৬ হাজার টাকা দরে কেনে, যা বাজারের তুলনায় দ্বিগুণ।বিএডিসিতে বিক্রি করতে পারলে লাভের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, সূর্যমুখী থেকে শুধু তেলই নয়, উন্নত মানের খৈল ও জ্বালানি হিসেবে খড়ও পাওয়া যায়। প্রতি মণ বীজ থেকে গড়ে ১৪ লিটার ভোজ্যতেল পাওয়া সম্ভব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়াতে সরকার সরিষা ও সূর্যমুখী চাষে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ঈশ্বরদীতে দিন দিন এ দুটি ফসলের আবাদ বাড়ছে এবং চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের সব ধরনের কারিগরি ও মাঠপর্যায়ে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

  • সর্বশেষ