শিরোনাম
◈ কনটেইনার পরিবহন বাড়লেও সেরা ১০০ বন্দরে ৬৮তম চট্টগ্রাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিন মাস পর উৎপাদনে পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

নিনা আফরিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালীতে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন (আরপিসিএল-নোরিনকো) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট আবারও উৎপাদনে ফিরেছে।

প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়লা সংকট ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিভিন্ন জটিলতার কারণে কিছুদিন আগে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রথম ইউনিটও কার্যক্রম থেকে ছিটকে পড়ে।

বর্তমানে দ্বিতীয় ইউনিট চালু হলেও প্রথম ইউনিটের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছে।

প্রকল্প পরিচালক তৌফিক ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বুধবার থেকে দ্বিতীয় ইউনিট চালু করা হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে দুই ইউনিটই চালুর চেষ্টা চলছে।

পায়রা বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জন্য সর্বশেষ গত ১৯ মার্চ ‘ডেজার্ট ভিক্টোরি’ নামের কয়লাবাহী একটি মাদার ভেসেল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে লাইটারিং প্রক্রিয়ায় কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনার কার্যক্রম চলছে।

প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে।

আল্ট্রা সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মিত এই কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ৪৪০ কেভি সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) উৎপাদন শুরু করে এবং জুন মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। তবে এখনো এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব পড়েছিল।

ধানখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার জানান, কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চুল্লিতে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে, এতে স্বস্তি ফিরেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় এই কেন্দ্রের উৎপাদন অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • সর্বশেষ