শিরোনাম
◈ চলতি বছরেই দেশে ফিরবো: শেখ হাসিনা ◈ ঢাকায় নতুন কমিশনার, কুমিল্লা-সিলেটে নতুন ডিসি ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মুগদা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা থেকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : হাবিবুর রশীদ ◈ ২০১৬ সালে ভারতের নোট বাতিলের উদ্যোগের মতোই বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব সংসদে! ◈ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, মহাসড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ◈ সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান ◈ ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মার্কিন হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি আইআরজিসির ◈ মহাকাশ গবেষণায় জোর: আকস্মিকভাবে স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আধুনিকায়নের নির্দেশ ◈ ইবোলা সতর্কতায় ভারতে সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক এয়ার সুভিধা ২.০ ◈ কোনো দেশের সরকারপ্রধান আরেক দেশের কাছে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যায় না, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ রাত
আপডেট : ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিন মাস পর উৎপাদনে পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

নিনা আফরিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালীতে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন (আরপিসিএল-নোরিনকো) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট আবারও উৎপাদনে ফিরেছে।

প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়লা সংকট ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিভিন্ন জটিলতার কারণে কিছুদিন আগে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রথম ইউনিটও কার্যক্রম থেকে ছিটকে পড়ে।

বর্তমানে দ্বিতীয় ইউনিট চালু হলেও প্রথম ইউনিটের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছে।

প্রকল্প পরিচালক তৌফিক ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বুধবার থেকে দ্বিতীয় ইউনিট চালু করা হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে দুই ইউনিটই চালুর চেষ্টা চলছে।

পায়রা বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জন্য সর্বশেষ গত ১৯ মার্চ ‘ডেজার্ট ভিক্টোরি’ নামের কয়লাবাহী একটি মাদার ভেসেল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে লাইটারিং প্রক্রিয়ায় কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনার কার্যক্রম চলছে।

প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে।

আল্ট্রা সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মিত এই কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ৪৪০ কেভি সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) উৎপাদন শুরু করে এবং জুন মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। তবে এখনো এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব পড়েছিল।

ধানখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার জানান, কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চুল্লিতে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে, এতে স্বস্তি ফিরেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় এই কেন্দ্রের উৎপাদন অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়