শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুলিশ কর্মকর্তার ভয়ঙ্কর নারী ফাঁদ, নিঃস্ব অনেকে

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা আর বিপথগামী এক নারী মিলে ˆতরি করেছে ভয়ঙ্কর ফাঁদ। সে ফাঁদে পা দিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকে। কেউ মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে রক্ষা পেয়েছেন আবার কেউ হয়েছেন মামলার আসিামি। এমনই এক ফাঁদ ˆতরির অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক তকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে। তাঁর হাত থেকে রেহাই পাননি ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালীগঞ্জের রাকড়া গ্রামের মৃত অধির ঘোষের মেয়ে পিংকি রানী ঘোষ অপ্রাপ্ত বয়সে স্থানীয় এক হিন্দু যুবকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে জড়িয়ে পড়েন। কিছুদিন যেত না যেতেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে। এর দেড়বছরের মাথায় পাশ্ববর্তী কোটচাঁদপুর উপজেলায় এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে আবারো বিবাহ করেন। সেখানে কিছুদিন সংসার করার পর একটা সন্তান জন্ম দেয়। এর কিছুদিন স্বামী -সন্তানকে ফেলে রেখে সেখান থেকে চলে আসে| এরপর পরিচয় হয় পুলিশের উপপরিদর্শক তকিবুর রহমানের সঙ্গে। পরে দুজনে মিলে গড়ে তোলে ভয়ঙ্কর এক ফাঁদ। তাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে অনেক দিয়েছেন লাখ লাখ টাকা, অনেকে মামলার আসামি হয়েছেন। কেউ ছেড়েছেন নিজের বাড়ি।

সূত্র বলছে, পুলিশ কর্মকর্তা তকিবুর ও পিংকির ফাঁদে পড়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলার ষাটোর্ধ অনোয়ার হোসেন, মুজাহিদুল ইসলামসহ আরো অনেকে| তাদের চাহিদামত টাকা দিয়ে অনেকে আবার মামলা থেকে রেহাই পেয়েছেন।

জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘এসব ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চললেও সংশ্লিষ্টরা নজর দিচ্ছে না। আর এ ঘটনা তো নজিরবিহীন। অনতিবিলম্বে এই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক তকিবুর রহমান বলেন, ‘এমন ঘটনা আমি ঘটাতেই পারি না। পারলে এসব নিয়ে লেখালেখির দরকার নেই।’

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘দুটি ঘটনা আমি এখানে যোগদানের আগের। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।'

  • সর্বশেষ