শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের ইরান হামলা স্থগিত ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে হঠাৎ কমে গেলো তেলের দাম ◈ ২৫ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ ◈ আলোচনায় অগ্রগতির দাবি: ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ ২২ দেশের ঐক্যেও হরমুজে ইরানের দাপট কেন কমানো কঠিন ◈ ভারতের বিমানবাহিনীর যেসব তথ্য হাতিয়ে নিল পাকিস্তান ◈ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার দাবি ◈ পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা নেই, তবে সরবরাহ সংকটে চাপ বাড়ছে ◈ ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে অফিস, ফিরছে কর্মব্যস্ততা ◈ ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের ৬ কঠোর শর্ত, পর্দার আড়ালে শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি ◈ সামনে কঠিন সময়, দ্রব্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা—সততার পথে এগোনোর আহ্বান মির্জা ফখরুলের

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৬, ০২:১৬ দুপুর
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাবনায় আধিপত্য বিস্তারে সংঘর্ষ-গুলি, নারী নিহতসহ আহত ১০

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে
ব্যাপক সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে ঈশ্বরদী পৌর
শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়। এ সময় ১০টি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া
হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ পুলিশের বেশ কয়েকজন
সদস্য এবং দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে ঈশ্বরদী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুর রউফ আব্দুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর অনুসারীরা আলাদা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংবাদ সম্মেলন শেষে হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকেরা শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল শেষ হওয়ার পর গুলিবর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষের সময় পোস্ট অফিস মোড়ে হাবিবুর রহমান হাবিবের কার্যালয়ের সামনে থাকা অন্তত ১০টি
মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দফায় দফায় গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো শহর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। দুই পক্ষের মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। পুলিশের ধাওয়ায় নেতা-কর্মীরা শহরের রেলগেট ও আলহাজ মোড় এলাকায় অবস্থান নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে টহল শুরু করলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মমিনুজ্জামান জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা বা কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে দুই পক্ষের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়