শিরোনাম
◈ শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবে সৌদি আরব ◈ ৩. তেল স্থাপনাকে ঘিরে সতর্কতা, সৌদি–কাতার–আমিরাতে বাসিন্দাদের সরতে বলল ইরান ◈ ঈদের তারিখ ঘোষণা করল তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর ◈ তেলের বাজারে চাপ, হরমুজ এড়িয়ে বিকল্প পথে রপ্তানি বাড়াচ্ছে দেশগুলো ◈ বিশ্ব কা‌পের ভেন‌্যু প‌রিবর্তনে ইরানের আবেদন প্রত্যাখ্যান ফিফার ◈ কপাল মন্দ সে‌নেগা‌লের, জিতেও শিরোপা পে‌লো না, মরক্কো আফ্রিকা কাপ চ্যাম্পিয়ন ◈ আবারও হামলার শিকার বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস ◈ গুলশানের বাসা থেকে জরুরি দাফতরিক কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ এবার মুসলিম দেশে দুপুরেই দেখা গেল শাওয়ালের চাঁদ ◈ কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ, আসছে ফসল বীমা

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৪১ দুপুর
আপডেট : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঈদযাত্রায় চন্দ্রায় ১২ কিমি যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

কারখানা ছুটি হওয়ায় গাজীপুরের মহাসড়কগুলোয় ঈদযাত্রায় গ্রামমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। এ জন্য কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনালসংলগ্ন প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় ধীরগতির কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও বড় ধরনের যানজট দেখা যায়নি।

চালকেরা বলছেন, দুপুরের পর গাজীপুরের প্রায় ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হলে যানবাহনের চাপ আরও কয়েক গুণ বাড়বে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সফিপুর থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে ত্রিমোড় পর্যন্ত যানজটের বিস্তার দেখা গেছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও যাত্রী ও যানবাহনের অত্যধিক চাপের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, চন্দ্রা ত্রিমোড়, নবীনগর সড়ক ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে কোথাও যানবাহন দীর্ঘ সময় স্থির হয়ে আছে, আবার কোথাও ধীরগতিতে এগোচ্ছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অধিকাংশ বাস ভরা থাকায় চন্দ্রা এলাকায় নতুন যাত্রী তোলার সুযোগ কম। ফলে স্থানীয় যাত্রী পরিবহনের জন্য মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অনেক পরিবহন আগেই কারখানা শ্রমিকদের জন্য রিজার্ভ করা ছিল, যা যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।

এ ছাড়া আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘরমুখী মানুষের ভিড় বাড়ায় যাত্রী ওঠানামার সময়ও যানজট আরও তীব্র হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যানজট নিরসনে কাজ করলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, অতিরিক্ত যানবাহন, সড়কের সংকীর্ণতা এবং নির্ধারিত স্থানের বাইরে গাড়ি থামানো— এসব কারণেই মূলত এই ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে প্রায় পাঁচ হাজার ছোট-বড় কারখানা আছে। মঙ্গলবার প্রায় ২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছে। আজ বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি দেবে এবং সর্বশেষ আগামীকাল বৃহস্পতিবার আরও ৮৩৩টি কারখানা বন্ধ হবে। ফলে আজ ও আগামীকাল যাত্রীর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, ‘গতকাল থেকেই যাত্রীর চাপ বাড়তে শুরু করেছে। আজ দুপুরের পর তা আরও কয়েক গুণ বাড়বে। মহাসড়কের পাশে শ্রমিকদের জন্য ভাড়া করা অসংখ্য গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় যানজটের চাপ বাড়বে।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়