শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় প্যানিক, সন্ধ্যা থেকেই তেল নেই অনেক পাম্পে ◈ পুনরায় চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা ৭টি পাটকল ◈ মাঝ আকাশে নিখোঁজ ভারতের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০৪:৩১ দুপুর
আপডেট : ০৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুরাদনগরে নিম্নমানের কাঁচামালে পণ্য উৎপাদন, অনুমোদনহীন কারখানায় রমরমা বাণিজ্য

এন এ মুরাদ, মুরাদনগর : মুরাদনগর উপজেলার বাবুটি পাড়া ইউনিয়নের বাবুটিপাড়া পশ্চিমপাড়া সড়কের পাশে সাইনবোর্ডবিহীন একটি ঘরে নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার করে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগ উঠেছে একটি কারখানার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদন ছাড়াই এসব পণ্য তৈরি ও প্যাকেটজাত করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানার এক পাশে মাছের খাদ্য মজুদ রাখা হয়েছে এবং অন্য পাশে চা, ‘টেস্টি পিওর’ সফট ড্রিংকস পাউডার, চিনিগুঁড়া চাল, সরিষার তেল, মাসকলাই ডাল ও ডাল ভাজাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। 

অভিযোগ রয়েছে, কারখানার মেঝেতে খোলা অবস্থায় বিভিন্ন পাউডার রেখে নিম্নমানের ফ্লেভার ও চিনি মিশিয়ে ‘টেস্টি পিওর’ নামে সফট ড্রিংক বোতলজাত করা হচ্ছে। এছাড়া পামওয়েল ব্যবহার করে ‘নূরে মদিনা’ নামে সরিষার তেল  বোতলজাত করা হচ্ছে, যার কোনো বৈধ অনুমোদন নেই বলে জানা গেছে।

এছাড়াও, সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আনা ভারতীয় ৫০ কেজির চালের বস্তা খুলে ১ কেজি ওজনের চিনিগুঁড়া চালের প্যাকেট তৈরি করে বাজারজাত করার অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অফিস সূত্রে জানা গেছে, " কোনো প্রতিষ্ঠানের একটি নির্দিষ্ট পণ্যের অনুমোদন থাকলে কেবল সেই পণ্যই বিধিমোতাবেক উৎপাদন করতে পারবে। অন্য কোনো পণ্য একই কারখানায় উৎপাদন বা সংরক্ষণ করা যাবে না। "
এদিকে আল কারীম কনজ্যুমার  নিয়ম উপেক্ষা করে একই স্থানে একাধিক পণ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করছেন। 

এছাড়া কারখানাটির পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কারখানার মালিক সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, ‘আল কারীম’ নামে কোম্পানির সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তবে তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। এমনকি তাঁর  ট্রেড লাইসেন্স দুই বছরের মেয়াদোত্তীর্ণ।  

কুমিল্লা বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার ইকবাল আহমেদ জানান, ‘আল কারীম কনজ্যুমার প্রোডাক্টস’ চা ও সফট ড্রিংকস পাউডার—এই দুটি পণ্যের অনুমোদন পেয়েছে। বাকি পণ্যের কোনো অনুমোদন নেই। তিনি আরও বলেন, পরিদর্শনের মাধ্যমে পণ্যের গুণগত মান যাচাই করা সম্ভব। খাদ্যপণ্যের পাশে মাছ ও মুরগির ফিড সংরক্ষণ সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়