শিরোনাম
◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা ◈ ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব : ইশরাক হোসেন ◈ সংস্কার, বাণিজ্য ও অভিবাসন: ইইউর সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ বাংলাদেশের ◈ বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুলিশের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:২৩ বিকাল
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুকসুদপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১,আহত ১০

শহিদুল ইসলাম, মুকসুদপুর প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে  নিলু মুন্সী(৫০) নামে একজন নিহত হয়েছে ও ১০ জন আহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি কমলাপুর গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। উভয় গ্রুপই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানাগেছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এই দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১ টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আনোয়ার মুন্সী গ্রুপ ও নূর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এদিন প্রথমে আনোয়ার মুন্সীর ছেলেরা হাসপাতাল গেটে নূর ইসলামকে আক্রমন করে। এতে নুর ইসলাম আহত হয়। এঘটনার জেরে নুর ইসলামের লোকজন আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে গিয়ে হামলা ও ভাংচুর চালায়। পরে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এতে উভয় পক্ষের নারী সহ অন্তত ১১জন আহত হয়। প্রথমে আহতদেরকে মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মারাত্মক আহত নিলু মুন্সী(৫০),স্ত্রী রুপা বেগম(৪০),তার আহত ভাই মিলন মুন্সী(৫২), দুলাল মুন্সীকে (৪০) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিতসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে নিলু মুন্সীকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।

অপরপক্ষের নূর ইসলামকে (৩৩) মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদেরকে মুকসুদপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্রাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, এলাকার শান্তিশৃংখলা বজায় রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।এলাকায় এখন থমথমে ভাব বিরাজ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়