শিরোনাম
◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৫৬ ◈ রংপুরের চার খুনের তদন্তে নতুন মোড়, সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের শরীরে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব ◈ মক্কা চুক্তি: কৌশল ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠক আজ, আলোচনায় যা থাকবে ◈ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, বেড়ে দাঁড়াল ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩: ইসি সচিব ◈ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান ◈ আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে স্পিকারের বৈঠক, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার নিয়ে আলোচনা ◈ খার্গ দ্বীপ কি ‘ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে’, যা জানাল রয়টার্স ◈ মালয়েশিয়াগামী ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে পাঠানোর নির্দেশ ◈ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার খুলছে সুন্দরবন ◈ শিশু আছিয়া হত্যা: হাইকোর্টে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ২৮ জুলাই, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাছের পাতায় পাতায় আমের মুকুলের শুভ্র গন্ধ, ঝড়তুফান কম হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা

এন এ মুরাদ, মুরাদনগর : কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার গ্রামজুড়ে এখন আমের মুকুলের সুবাসে ভরে উঠেছে চারপাশ। গাছের পাতায় পাতায় সোনালি-সবুজ মুকুলের ছোঁয়া, আর বাতাসে ভেসে বেড়ানো মিষ্টি গন্ধ জানান দিচ্ছে—এসে গেছে আমের মৌসুমের পূর্বাভাস। প্রকৃতির এই রূপে মুগ্ধ পথিক।  কৃষকদের চোখে মুখেও স্বস্তি আর হাসির  ঝিলিক।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, ছোট-বড় প্রায় সব আমগাছেই এ বছর মুকুলের সমারোহ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে মুকুলের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি বলে জানান স্হানীয়রা। বিশেষ করে গত কয়েক সপ্তাহে তাপমাত্রা ও হালকা রোদেলা আবহাওয়া মুকুল ধরতে সহায়ক হয়েছে।

স্থানীয় আমচাষি আব্দুল জলিল   বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর মুকুল অনেক বেশি এসেছে। যদি অতিরিক্ত ঝড়-বৃষ্টি না হয়, তাহলে ভালো ফলনের আশা করছি।” আরেক চাষি জানান, মুকুলের সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি হলে মুকুল ঝরে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এখন সবার নজর আকাশের দিকে।

প্রতি বছর আমের মৌসুম ঘিরে মুরাদনগরের গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক ধরনের প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দেয়। আম বিক্রিকে কেন্দ্র করে মৌসুমি শ্রমিকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়, বাজারে বাড়ে লেনদেন। অনেক পরিবারের জন্য এটি বাড়তি আয়ের অন্যতম উৎস।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  বলেন, এ সময়টায় আমগাছের যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগ, সঠিক পরিচর্যা এবং ঝড়-তুফান থেকে গাছ রক্ষার ব্যবস্থা নিলে ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগই সবচেয়ে বড় শঙ্কা।

এদিকে, আমের মুকুলে মৌমাছির আনাগোনা বেড়েছে। গুঞ্জনে মুখর হয়ে উঠেছে বাগানগুলো। প্রকৃতির এই মেলবন্ধন যেন আগামীর সুস্বাদু ফলনের বার্তা দিচ্ছে।

চাষিদের প্রত্যাশা—আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের ঝড়-তুফান না এলে এ বছর মুরাদনগরে আমের বাম্পার ফলন হবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা -মুকুল থেকে কাঁচা আম, আর কাঁচা আম থেকে রসালো পাকা আম ঘরে তুলার।

  • সর্বশেষ