শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ হলেন আব্দুর রহমান সানি ◈ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ ◈ রমজানের ছুটির ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে : শিক্ষামন্ত্রী ◈ যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ হতেই লাগেজ হাতে পাবেন: বিমান প্রতিমন্ত্রী ◈ কালোবাজারিদের বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব : ধর্মমন্ত্রী ◈ রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ◈ জনগণের নিরাপত্তা ও মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের যুদ্ধ ঘোষণা ◈ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় পিছিয়ে নতুন সময় ঘোষণা ◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৫০ বিকাল
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুই জনের যাবজ্জীবন

মিজান লিটন : চাঁদপুরের কচুয়ায় বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে মারধর ও কাঠের আঘাতে কেরামত আলী (৫৮) নামে ব্যাক্তিকে হত্যার অপরাধে আসামী মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) ও মো. ইয়াছিন (৩৭) কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় দেন।

হত্যার শিকার কেরমাত আলী কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের লেবার বাড়ির বাসিন্দা। কারাদন্ড প্রাপ্ত মোশারফ একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং ইয়াছিন মো. হাছানের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে লেবার বাড়িতে মামলার বাদি ও হত্যার শিকার কেরামত আলীর ছেলে মো. জসিম উদ্দিনের সাথে বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে আসামীদের সাথে মারধরের ঘটনা ঘটে। বিবাদী মোশারফ গংরা বাদির ছোট ভাই আল-আমিনের ওপর আক্রমন চালায়। ওই সময় তাদের মা ও বাবা কেরামত আলী ছেলে আল-আমিনকে রক্ষা করতে আসলে আসামি ইয়াছিনের কাঠের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে কেরামত আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। সর্বশেষ তিনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার নবাবপুর টাওয়ার হাসপাতালে নেয়া হলে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পরদিন ২৪ আগস্ট নিহত ব্যাক্তির ছেলে জসিম উদ্দিন কচুয়া থানায় ৭ জনকে নামীয় আসামী করে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয় তৎকালীন কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুনুর রশিদ সরকার মামুনকে। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) কুহিনুর বেগম বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ২০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। স্বাক্ষ্য গ্রহন, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামীদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামী ইয়াছিনের উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় দেন। অপর আসামী মোশারফ হোসেন পলাতক এবং বাকি ৫ আসামীর অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. জসিম উদ্দিন প্রধান ও সফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়