শিরোনাম
◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও) ◈ এবার টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, হামলার দায় স্বীকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২৯ রাত
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেরপুরে ধানের শীষের প্রার্থীদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বিদ্রোহীরা 

তপু সরকার হারুনঃ শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও তৃণমূল পর্যায়ে তাদের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে বলে স্থানীয় রাজনীতিক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শেরপুর সদর–১ আসনে বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার পর তিনি মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এ ঘটনায় দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হলেও মাঠপর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এখনো স্পষ্ট বলে দাবি করছেন সমর্থকরা।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। ইনশাআল্লাহ তাদের ভোটেই আমি বিজয়ী হবো।”

অন্যদিকে, শেরপুর–৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন সাবেক তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনিও মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন এবং সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়ার কারণেই আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। ইনশাআল্লাহ জনগণ আমার পাশে রয়েছে এবং আমি বিজয়ী হবো।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হলেও এই দুই প্রার্থীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনী সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে শেরপুরের এই দুটি আসনে ভোটের লড়াই নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

  • সর্বশেষ