শিরোনাম
◈ ট্রাইব্যুনালে টবি ক্যাডম্যানের না থাকা নিয়ে আলোচনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ◈ মাদ্রাসায় বেড়েছে ছুটি ◈ আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ জঙ্গল সলিমপুর: চার দশকের দখল, সন্ত্রাস ও রক্তে গড়া ৩০ হাজার কোটি টাকার ‘নিষিদ্ধ ভূখণ্ড’ ◈ ক্ষমতায় গেলে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর ◈ ৫৭ হাজার টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন জাহাজ ◈ রাজধানীতে মিরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, ১৬ জন কর্মী আহত ◈ লন্ডন আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য নিয়ে যা বললেন জাইমা রহমান ◈ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ নিয়ে যে বার্তা দিলেন সিইসি ◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা 

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

'সংস্কার আর অবহেলায় ধ্বংসের পথে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টার'

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর: ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টার এখন যেন অবহেলার নীরব সাক্ষী। হাসপাতাল চত্বরে অবস্থিত এই সরকারি আবাসন ভবনগুলোর দরজা-জানালা ভাঙা, দেয়ালে ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, ভেতরে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা। কোথাও কোথাও জানালার গ্রিলও খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টাফ কোয়ার্টারগুলো এখন কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোয়ার্টারের ভেতরে খোলা দরজা দিয়ে অনায়াসে প্রবেশ করা যাচ্ছে। ভাঙা কক্ষগুলোতে পড়ে আছে পলিথিন, খাবারের প্যাকেটসহ নানা বর্জ্য। আশপাশে ঝোপঝাড় বেড়ে ওঠায় জায়গাটি মাদকসেবী ও অসামাজিক কার্যকলাপের আশঙ্কাজনক স্থানে পরিণত হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে হাসপাতাল চত্বরে নিরাপত্তাহীনতাও বাড়ছে।

হাসপাতালের একাধিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একসময় চিকিৎসক ও কর্মীদের বসবাসের জন্য নির্মিত এই কোয়ার্টারগুলো নিয়মিত সংস্কার না হওয়ায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে সবাই সরে গেলে ভবনগুলো পরিত্যক্ত হয়ে যায়। এরপর থেকেই দরজা-জানালা ভাঙচুর ও মালামাল চুরির ঘটনা বাড়তে থাকে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “স্টাফ কোয়ার্টারগুলোর বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। ভবনগুলো অনেক পুরোনো হওয়ায় নিয়মিত বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে মেরামত ও নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।” 

তিনি আরও বলেন, “এরই মধ্যে কোয়ার্টার এলাকায় নজরদারি বাড়ানো ও অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত সংস্কার ও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সরকারি সম্পদ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে হাসপাতাল চত্বরে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্টাফ কোয়ার্টারগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জোর দাবি উঠেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়