শিরোনাম
◈ চার বছর পর আবার ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ◈ করমুক্ত আয় বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিল ও স্টার্টআপে ৫০০ কোটি টাকা: বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ জনবান্ধব প্রস্তা ◈ কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান ভ্যাটের আওতার বাইরে রেখে সংসদে অর্থ বিল পাস ◈ সদ্য চালু হওয়া ভারতীয় ভ্রমণ ভিসার ‘স্লট’ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ (ভিডিও) ◈ অর্থবিল পাস, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর ◈ একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১২৪ ◈ করদাতাদের স্বস্তি দিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭১৬ ◈ এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ◈ আমাদের লক্ষ্য মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে অর্থনীতিকে মুক্ত করা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:২৯ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষিকার জিমের ভিডিও ভাইরাল, ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওকে কেন্দ্র করে নুসরাত জাহান নামে এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নির্দেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। নুসরাত জাহান নাচোল উপজেলার বহরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই শিক্ষিকার কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে কর্তৃপক্ষ সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নুসরাত জাহান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও টিকটক আইডিতে জিম করার বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব ভিডিওতে তাকে আপত্তিকর পোশাক ও অঙ্গভঙ্গিতে দেখা গেছে। সম্প্রতি ভিডিওগুলো ভাইরাল হলে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে বহরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, ‘আজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে নুসরাত জাহানকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। এর আগে তাকে শোকজ করা হয়েছিল। তিনি লিখিত জবাব দেন এবং ভুল স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ভিডিওগুলো ডিলিট করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওগুলো তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের অংশ। বিদ্যালয়ে পাঠদান বা অফিস সময়ে এসব করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে একাডেমিক বা পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো অভিযোগ নেই। তবে আগেও তাকে এ ধরনের ভিডিও আপলোড না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।’

অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুসরাত জাহান। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে পাঠদান, উপস্থিতি বা দায়িত্ব পালনে কোনো অভিযোগ নেই। আমি ব্যক্তিগত জীবনে নিয়মিত জিম করি এবং সেই সময়ের কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিয়েছিলাম। ভিডিওগুলো দেশের প্রচলিত পোশাক পরেই ধারণ করা। উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করতেই এসব অভিযোগ তোলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শোকজ নোটিশ পাওয়ার পরপরই আমি সব ভিডিও ডিলিট করেছি এবং ফেসবুক আইডিও ডিঅ্যাকটিভ করেছি। তারপরও আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা আমার কাছে অন্যায় মনে হচ্ছে।’

এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ শিক্ষকদের সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরছেন, আবার অনেকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রশ্নও তুলছেন। বিষয়টি এখন জেলা শিক্ষা প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়