শিরোনাম
◈ ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির মামলায় ৯৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন ◈ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ দুই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বার্সেলোনা শিবিরে জোড়া ধাক্কা ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রায়ের কপি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ, জানালেন শামা ওবায়েদ ◈ কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩, আরও যে তথ্য সামনে এসেছে ◈ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন যেভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো ◈ সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা: তারেক রহমান ◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪৫ বিকাল
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধামরাইয়ে মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাইয়ে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে আল আমিন (১৭) নামে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে দলবদ্ধভাবে মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া আদর্শ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পিটুনির শিকার আল আমিন ওই এলাকার সাত্তার আলীর ছেলে। মারধরকারীদের মধ্যে একই এলাকার কুদ্দুস, রব, হারুন, আসলাম, শাহ আলম, সাব্বিরসহ আরও ১০–১৫ জনের নাম পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার ভোরে কুদ্দুসের বাড়ি থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন খোয়া যায়। ফোন না পেয়ে সন্দেহের বশে তারা আল আমিনকে বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রথমে নিজেদের বাড়িতে মারধর করে এবং পরে তাকে গাছে বেঁধে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পিটিয়ে রাখা হয়। একপর্যায়ে আল আমিন মোবাইল নেওয়ার কথা স্বীকার করে এবং জানায় যে সে সেটি পাশের এলাকার এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছে। পরে স্থানীয়রা সেই ব্যক্তির কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায় একদল লোক গাছের সঙ্গে বাঁধা কিশোরকে নির্মমভাবে মারধর করছে।

Advertisement

শনিবার রাত ১০টার দিকে আল আমিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুদ্দুস ও তার বাবা রউফসহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের নাম করে কাঠের টুকরা দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে টেনে-হিঁচড়ে তাকে কুদ্দুসের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রশি দিয়ে গাছে বেঁধে আবারও মারধর করা হয়।

আল আমিনের মা রেখা জানান, তার ছেলে অপরাধ করলেও তাকে এমন অমানবিকভাবে নির্যাতন করার অধিকার কারও নেই। “ওকে পুলিশে দিলেই হতো, কিন্তু এভাবে মেরে ফেলার উপক্রম করেছে। আমি এর বিচার চাই,” বলেন তিনি।

ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) দেবাশীষ সাহা বলেন, “ভিডিওটি দেখেছি। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।