শিরোনাম
◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন ◈ কিলিং স্কোয়াডের শুটার ‘গলাকাটা মোবারক’, ৪ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ◈ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা ◈ ভারতের বিদ্যুৎ করিডরের জন্য বাংলাদেশের ভূমি, দিল্লিকে ৪ শর্ত ঢাকার ◈ পাঁচ বছরেই বদলে যাবে অর্থনীতির চিত্র, মালয়েশিয়া-ভিয়েতনামকে ছাড়াবে বাংলাদেশ: আইএমএফ ◈ শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান: বাংলাদেশ-চীনের কারিগরি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় ◈ বড় দুঃসংবাদ লোডশেডিং নিয়ে! ◈ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ◈ হামের উপসর্গে আরও ৫ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৯৬০ ◈ নভেম্বরে তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসন পদ্মা নদী ও নদীর শাখা খাল বিল এবং জলাশয় মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী 

চরভদ্রাসন এবং সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন পদ্মা নদীতে ব্যাপকভাবে ছেয়ে গেছে কারেন্ট জাল ও চায়না দোয়ারী। পদ্মা নদী ও নদীর শাখা খাল বিল ও জলাশয় মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকারের প্রতিযোগিতার শুরু হয়েছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজপ্রাণী।

জানা গেছে, পদ্মা নদীসহ খাল বিলে চায়না দোয়ারী ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ইলিশ, পোনা মাছ ও ডিমওয়ালা মা মাছ শিকার করা হচ্ছে। এ ছাড়া সব প্রকার দেশীয় প্রজাতির মাছ, পোকা-মাকড়, ব্যাঙ, সাপ, কুচিয়া মারা পড়ছে এই সব মরণফাঁদে। সেই সাথে রক্ষা পাচ্ছে না বিপন্ন জলজপ্রাণী শুশুকও। এ কারণে নদীতে বিলুপ্তর পথে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজপ্রাণী।

সকলের দাবি, পদ্মা নদীতে অবাধে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকার করা বন্ধ না করলে আগামীতে নদী থেকে বিপন্ন প্রজাতির মাছ ও দেশি মাছগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। যা আগামী প্রজন্মের কাছে শুধু ছবিতে ও গল্পেই শোভা পাবে।

জেলেরা বলছেন, স্থানীয় কিছু অসাধু জেলেদের কারণে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছসহ জলজ প্রাণীগুলো। নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে আটকা পড়ে জাটকা ইলিশ, ডিমওয়ালা মা মাছ। যার কারণে ডিম ছাড়তে না পারায় ইলিশসহ দেশি প্রজাতির মাছ আর দেশে দেখতে পাব না। এসব অবৈধ মাছ শিকার করার মরণ ফাঁদগুলো অতি দ্রুত নদীতে  অভিযান চালিয়ে ধ্বংস করা প্রয়োজন।

মাছ বিক্রেতারা জানান, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে কিছু অসাধু জেলেরা নদী ও খাল-বিল থেকে অবাধে দেশীয় প্রজারি মাছ ধরে বিক্রি করছেন। আগামীতে এ মাছ ধরা বন্ধ করা হলে, এ দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বিলুপ্ত প্রায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব বলেন, নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে বেশি মাছ অপহরণে চায়না দুয়ারী এখন সারা দেশে আলোচিত বিষয়। মৎস্য অফিস মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী ব্যবহার যাতে না করে জেলেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।পদ্মা নদীতে অসাধু মাছ জেলেরা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে অবৈধভাবে বারো মাসই থেকে মাছ শিকার করার চেষ্টা করে। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী মাছ নিধনে দেশের বড় শত্রু।নিয়মিতভাবেই পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালনাসহ জাল উদ্ধার ও তা ধ্বংস করে আসছে। আগামীতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সর্বশেষ