শিরোনাম
◈ ২০১৬ সালে ভারতের নোট বাতিলের উদ্যোগের মতোই বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব সংসদে! ◈ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, মহাসড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ◈ সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান ◈ ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মার্কিন হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি আইআরজিসির ◈ মহাকাশ গবেষণায় জোর: আকস্মিকভাবে স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আধুনিকায়নের নির্দেশ ◈ ইবোলা সতর্কতায় ভারতে সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক এয়ার সুভিধা ২.০ ◈ কোনো দেশের সরকারপ্রধান আরেক দেশের কাছে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যায় না, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার দক্ষিণ কোরিয়াও ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের দেশীয় সংস্করণ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ থেকে চীন কে‌নো কাঁঠাল নিতে চায়? ◈ বজ্রপাতে ১২ বছরে প্রাণ গেল ৩৮৬০ জনের, সবচেয়ে ঝুঁকিতে হাওরাঞ্চল

প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৬ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিস্তি দিতে না পারায় গৃহবধূর আংটি ও বদনা নিয়ে গেলো এনজিও!

বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কর্মীদের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূর হাতের স্বর্ণের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সময়মতো কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় ওই এনজিওর এক কর্মী পাশ বইয়ে ‘আংটি বাবদ ৮ হাজার’ এবং ‘বদনা বাবদ ১ হাজার ৫০০ টাকা’ জমা হিসেবে লিখে রাখেন বলে অভিযোগ করেছে এক গৃহবধূ।

শনিবার (৮ নভেম্বর) গৃহবধূর একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। তবে সংশ্লিষ্ট এনজিওর কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, গৃহবধূ খুশি হয়েই তার গয়না ও বদনা দিয়েছেন।

অভিযোগকারী গৃহবধূ শ্রাবণী হীরা (২২) জানান, তিনি ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (DFED)-এর চিতলমারী শাখা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। লাভসহ ফেরত দিতে হতো ৪৫ হাজার ১২০ টাকা। কিন্তু কিছু টাকা বাকি থাকতে তার স্বামী রিপন কাজের জন্য এলাকা ছাড়লে কয়েকটি কিস্তি বাকি পড়ে যায়।

শ্রাবণীর অভিযোগ, গত ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে এনজিওর কর্মীরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অফিসে নেয়। সেখানে তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাকে একটি কক্ষে তালা দিয়ে রাখে। পরে বিকেলে ফিল্ড থেকে ফিরে কর্মকর্তারা তাকে দুইটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে জোরপূর্বক হাতের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নিয়ে যায় এবং এ সময় ভিডিও ধারণ করে।

তিনি বলেন, আমাকে তালাবদ্ধ করে ভয় দেখানো হয়। আমার মেয়ে ক্ষুধায় কাঁদছিল, কিন্তু আমি কিছু বলতে পারিনি।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএফইডি চিতলমারী শাখার ম্যানেজার বাসুদেব দেবনাথ বলেন, গৃহবধূ শ্রাবণীর কিস্তি খেলাপি ছিল। তার কাছ থেকে নাকফুল নেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়