শিরোনাম
◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ ◈ বগুড়ায় ক্লাসে শাসন করায় শিক্ষককে লাঠিপেটা, সেই সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে স্থায়ী টিসি ◈ চকবাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে, ভবনের ৬-৭ তলায় এখনও তীব্র তাপ: ধোঁয়ায় চেহারা কা‌লো হ‌য়ে গে‌ছে ফায়ার ফাইটার ও স্বেচ্ছা‌সেবক‌দের ◈ অনুমোদিত মাধ্যম ছাড়া ট্রেনের টিকিট কিনে প্রতারিত হলে দায় নেবে না রেলওয়ে ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং ও জুমার খুতবায় সচেতনতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ প্রবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার আগে 'ওয়ার্নিং সিস্টেম' বন্ধ রেখেছিল সৌদি আরব, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ◈ হাসপাতালে সাড়ে চারশ রোগী সামলানো একা ডিউটিরত নারী ডাক্তারকে স্থানীয় নেতার হ্যানস্তা অভিযোগ, ভিডিওতে যা বললেন ◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৭ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুড়িগ্রামে কমছে নদ নদীর পানি, ১৮শ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের সকল নদ-নদীর পানি কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর পরেও নদী তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চলের রোপা আমন, শাক সবজি ও মাষকলাই পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। অপর দিকে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের ১৫টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। এসব এলাকায় গত দুইদিনে প্রায় শতাধিক পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতভিটা। 

৭ অক্টোবর'২৫ মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ জানায়, গত দুইদিনের বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৭৮৭ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। 

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের ছোট বড় ১৫টি পয়েন্টে অব্যাহত ভাঙন রয়েছে।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়া পাড়া এলাকার নুর নবী বলেন, দুধকুমার নদের ভাঙনে বসতভিটা হারালাম। কোনরকমে বাড়ির আসবাবপত্র সরিয়ে নিছি। এখন কোথায় যাবো, চিন্তায় বাঁচি না।

Advertisement

এরশাদুল হক নামের আরও একজন বলেন, চোখের সামনে বাড়ি ভিটা নদীতে গেলো কিছুই করতে পারলাম না। নিজের আর জমিজমা বলতে নাই। কোথায় যাবো কি করবো একমাত্র আল্লাহ জানেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,  পানি শুকিয়ে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রনোদনার আওতায় আনা হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, নদ নদীর ৪টি পয়েন্টে বালুভত্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে। অনুমোদন পেলে অন্যন্য পয়েন্টেও কাজ করা হবে।

  • সর্বশেষ