শিরোনাম
◈ নেপালে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে পড়তে পারে হ্রদের বাঁধ ◈ বোলারদের ব্যর্থতায় ভারত শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে জেতা টেস্ট ড্র কর‌লো ◈ টুকু আসে, টুকু যায়—লোডশেডিং নিয়ে রুমিন ফারাহানা (ভিডিও) ◈ আরও ৫ মৃত্যু হামের উপসর্গে, প্রাণহানি বেড়ে ৯৫৫ ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র হতে আসিনি: বিরোধী দলের নেতা (ভিডিও) ◈ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষ থাকব: রাষ্ট্রপতি ◈ অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে নতুন আশার আলো, যুগান্তকারী ওষুধের অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রে ◈ এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা বুঝতে পারিনি: সংসদে হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ মক্কা চুক্তি মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা, আমন্ত্রণ পেলে ইতিবাচকভাবে দেখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নেপাল-তিব্বতের বন্যা-ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় দেড় হাজার, কোন দেশের কতজন

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৭ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুড়িগ্রামে কমছে নদ নদীর পানি, ১৮শ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের সকল নদ-নদীর পানি কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর পরেও নদী তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চলের রোপা আমন, শাক সবজি ও মাষকলাই পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। অপর দিকে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের ১৫টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। এসব এলাকায় গত দুইদিনে প্রায় শতাধিক পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতভিটা। 

৭ অক্টোবর'২৫ মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ জানায়, গত দুইদিনের বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৭৮৭ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। 

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের ছোট বড় ১৫টি পয়েন্টে অব্যাহত ভাঙন রয়েছে।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়া পাড়া এলাকার নুর নবী বলেন, দুধকুমার নদের ভাঙনে বসতভিটা হারালাম। কোনরকমে বাড়ির আসবাবপত্র সরিয়ে নিছি। এখন কোথায় যাবো, চিন্তায় বাঁচি না।

এরশাদুল হক নামের আরও একজন বলেন, চোখের সামনে বাড়ি ভিটা নদীতে গেলো কিছুই করতে পারলাম না। নিজের আর জমিজমা বলতে নাই। কোথায় যাবো কি করবো একমাত্র আল্লাহ জানেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,  পানি শুকিয়ে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রনোদনার আওতায় আনা হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, নদ নদীর ৪টি পয়েন্টে বালুভত্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে। অনুমোদন পেলে অন্যন্য পয়েন্টেও কাজ করা হবে।

  • সর্বশেষ