শিরোনাম
◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ◈ অন্ধকারেও সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিজিবি, ব্যবহৃত হচ্ছে থার্মাল ও নাইট ভিশন প্রযুক্তি ◈ ভোলায় এক নারীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ◈ ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও সংকটের অন্তরালে: যেভাবে ডুবল ব্যাংক খাত ◈ ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে বিক্ষোভ, আটক আশুতোষ-সৌরভসহ নেতাকর্মীরা (ভিডিও) ◈ শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? ◈ দুর্গাপূজা ঘিরে সীমান্তে মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৩১ বিকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যমুনা সার কারখানার পানি নিষ্কাশনের নেই কোন ব্যবস্থা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ 

মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় নবনির্মিত তারাকান্দি-ভুয়াপুর সড়কে উঠেছে দুষিত পানি। উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দি তিতাশ মোড়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এমনকি সড়কের আশেপাশে থাকা বাসা, বাড়ীতেও ঢুকছে এসব দুষিত ও বিশাক্ত পানি। ফলে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এ এলাকার বসবাসকারী মানুষ। 

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সরিষাবাড়ী-ভুয়াপুর প্রধান সড়কের তারাকান্দি যমুনা সারকারখানা সংলগ্ন তিতাস মোড় এলাকায় নতুন বাইপাস রাস্তা নির্মান করে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। এরপর থেকেই যমুনা সারকারখানা কমান্ডিং এরিয়ার ভেতরের পানি, বাহিরের ড্রেনের পানি ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় দুই রাস্তার মাঝে হাটু পানি জমে যায়। ফলে প্রতিদিন এসব দুষিত ও বিষাক্ত পানি আশেপাশের বাড়ীতে ঢুকছে। এতে করে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয়রা। অনেকে পানি থেকে নিজের ঘরবাড়ী বাচাতে নতুন রাস্তার উপর দিয়েছেন বাধ। ফলে পানি কোথাও নামতে পারছে না এ কারনেই বাসা বাড়ীতে প্রতিদিন পানি বাড়ছে। 

তিতাস মোড় এলাকার ব্যবসায়ী ময়নাল, রোজিনা, শামিম বলেন, এখানে কয়েকমাস ধরে পানি জমে আছে। অনেকের বাড়ীর ভেতরেও এসব পানি হাটু পর্যন্ত জমে আছে। আমারা ব্যবসা করতে পারতেছি না। দোকান ও বাড়ীতে পানি উঠে। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় মাটি দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করছি।  আমাদের কস্ট দেখার কেও নেই।  

বাড়ীতে পানি উঠা লিটন মিয়া ও শিপন মেলেটারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কয়েকমাস ধরে যমুনা সার কারখানার ও বৃষ্টির পানি কোথাও নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় আমাদের বাড়ীর ভেতরে হাটু পানি জমে আছে। বিষাক্ত ও দুষিত পানির ভেতরে আমাদের প্রতিদিন হাটতে হয়। এতে করে নানা রকম চুলকানী ও ঘা হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। এসব পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি। 

এ বিষয়ে যমুনা সার কারখানার জিএম (প্রশাসন) মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি। আমাদের যমুনার জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য মটর বসিয়ে পানি আমাদের ড্রেনের সাথে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করবো। তাছাড়া এলাকার লোকজন পানি গুলোকে বিলে বা আশেপাশের খোলা জায়গায় নামতে দিচ্ছে না। রাস্তার উপর বাধ দিয়ে পানি আটকে রেখেছে। ফলে পানি গুলো কোথাও নামতে পারছে না। তবে পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো। 

  • সর্বশেষ