শিরোনাম
◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ◈ অন্ধকারেও সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিজিবি, ব্যবহৃত হচ্ছে থার্মাল ও নাইট ভিশন প্রযুক্তি ◈ ভোলায় এক নারীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ◈ ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও সংকটের অন্তরালে: যেভাবে ডুবল ব্যাংক খাত ◈ ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে বিক্ষোভ, আটক আশুতোষ-সৌরভসহ নেতাকর্মীরা (ভিডিও) ◈ শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? ◈ দুর্গাপূজা ঘিরে সীমান্তে মোতায়েন হচ্ছে ১০ হাজার বিজিবি

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আলু চাষী কৃষকদের লোকসানে ভর্তুকী না দিলে আলু চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক : চন্দন কুমার সাহা

কাজী রাশেদ, চান্দিনা ( কুমিল্লা ) : সারা দেশে গত মৌসুমে আলুর ব্যাপক ফলন হওয়ায় সারা বাংলাদেশে হিমাগার গুলো পরিপূর্ণ হয়ে স্থানীয় কৃষকদের হাতে পর্যান্ত আলু মজুত ছিল। যার কারণে কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু নামতে বিলম্ব হয়। ফলে এখনো সারা দেশের ৩৫৩টি হিমাগারে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আলু এখনো মজুত রয়েছে। ফলে এবার কেজি প্রতি ১২-১৩ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আলু সংরক্ষনকারীদের।

এক তথ্যে জানা যায়, প্রতি কেজি আলু ক্রয় ও প্যাকেজিং, পরিবহন ও হিমাগার ভাড়া সহ ২৬-২৭ টাকা খরচ পরে। কিন্তু এবার হিমাগার থেকে নামিয়ে প্রতি কেজি আলু পাইকারি বিক্রয় হচ্ছে ১৩/১৪ টাকা দরে। এতে সংরক্ষনকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের পরিচালক চন্দন কুমার সাহা বলেন, সারা বাংলাদেশে সচল ও চলমান ৩৫৩টি হিমাগার রয়েছে ।এবার আলু সংরক্ষন হয়েছে সর্বমোট ৩২ লক্ষ ১৭ হাজার মেট্রিক টন। আর ১৫ সেপ্টেম্ব ২০২৫ পর্যন্ত সারা দেশের হিমাগার থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৮ লক্ষ ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মজুত আছে ২৩ লক্ষ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন। এবার আলুর ব্যাপক ফলন হওয়ায় সব গুলো হিমাগার পূর্ণ হয়ে কৃষকদের হাতে প্রচুর আলু ছিল। যার কারণে সংরক্ষিত আলু ব্যবসায়ী ও কৃষক ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।

তিনি আরো জানান,এবার কৃষকদের লোকসানের কথা চিন্তা করে সরকার হিমাগার থেকে ২২টাকা করে আলু ক্রয়ের ঘোষনা দিয়ে ছিল। এতে কৃষকদের মনে কিছুটা আশার আলো জেগে ছিল। কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশায় ভুগছেন তারা। এভাবে লোকসান হলে আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে কৃষকরা।

ফলে আলু সংকটে পড়বে গোটা দেশ। হুমকির মুখে পড়বে হিমাগার গুলো।পাশাপাশি রাজস্ব হারাবে সরকার।বেড়ে যাবে বেকারের সংখ্যা। দেশের আলুর চাহিদা মিটাতে হতে হবে আমদানী নির্ভর।

তাই তিনি মনে করেন সরকার এই আপদকলীন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে ভর্তুতী দিয়ে আলু চাষে উৎসাহিত করা এবং আলু চাষ অব্যাহত রাখা।

  • সর্বশেষ