শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা, ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ◈ পুরান ঢাকার চকবাজারে ৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কাজ করছে ১০ ইউনিট ◈ মোংলা ইপিজেডে ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ ব্যাংককে চলছে বাংলাদেশের বড় পরীক্ষা, জ্বালানি ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছাত্রীদের সঙ্গে অশ্লীল আচরণের অভিযোগে অভিভাবকদের পিটুনিতে হাসপাতালে শিক্ষক

প্রাইভেট পড়ার সময় ছাত্রীদের শরীরে অনভিমত আচরণ এবং প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখানোর অভিযোগে এক শিক্ষককে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন কয়েকজন অভিভাবক। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বাইমাইলে কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষক কুদ্দুস মোল্লা ওই বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক।

নবম শ্রেণির একজন ছাত্রীর মা জানান, প্রতিদিন সকালে মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতে পাঠাতেন। সেখানেই শিক্ষক অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে শরীর স্পর্শ করতেন। মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলে কেঁদে সব বলে দেয়। একই রকম অভিযোগ করেছেন আরও দুই অভিভাবক।

শিক্ষক কুদ্দুস মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে ৫৭ জন ছাত্রী পড়ে। তাদের মধ্যে দু’জন ছাড়া কারও কোনো অভিযোগ নেই। আমি কেবল ছেলেদের সঙ্গে প্রেম করার কারণে কয়েকজন ছাত্রীকে শাসন করেছি।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব বলেন, অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন। কথা বলার সময় হঠাৎ কয়েকজন শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষককে টেনে বের করে মারধর করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

অভিভাবক হাসমত মেম্বার দাবি করেন, শিক্ষক স্কুলের চেয়ে বাড়ির কোচিং ব্যবসায় বেশি সময় দেন। প্রাইভেট না পড়লে খারাপ আচরণ করেন। এছাড়া তার আরো অনেক দোষ রয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম হান্নান বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হবে। আগামীকালই মিটিং ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দেওয়ান রফিকুল ইসলাম জানান, একপক্ষ অভিযোগ তুলেছে, অন্যপক্ষ তা অস্বীকার করছে। তদন্তের পরই সত্য জানা যাবে। সূত্র: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ