শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা, ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ◈ পুরান ঢাকার চকবাজারে ৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কাজ করছে ১০ ইউনিট ◈ মোংলা ইপিজেডে ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ ব্যাংককে চলছে বাংলাদেশের বড় পরীক্ষা, জ্বালানি ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪৪ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবীনগরে জমজমাট ধানের চারার হাট

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: আমন ধান রোপণের মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে জমে উঠেছে ধানের চারার হাট। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে চারার কেনাবেচা। কৃষকরা নিজেদের তৈরি বীজতলা থেকে চারা তুলে আটি বেঁধে হাটে নিয়ে আসছেন। চাহিদা অনুযায়ী চারা পেয়ে ক্রেতারা খুশি, আর বিক্রেতারাও পাচ্ছেন ভালো দাম।

প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে কৃষকরা এ হাটে ধানের চারা কিনতে আসছেন। প্রতি আটি চারা ৭০ থেকে প্রকারভেদে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকরা জানান, দাম হাতের নাগালে থাকায় তারা স্বস্তি বোধ করছেন।

মুরাদনগর উপজেলার আকবপুর গ্রামের কৃষক রুহুল আমীন বলেন, “আমাদের এলাকায় পানির কারণে এ বছর রোপা আমনের চারা বপণ সম্ভব হয়নি। তাই এখানে এসে চারা কিনছি। দুই বিঘা জমির জন্য চারা নিচ্ছি, দামও নাগালের মধ্যে।”

সাতমোড়া গ্রামের কৃষক রফিউদ্দিন মিয়া বলেন, “বিভিন্ন জায়গা থেকে চারা তুলে এনে বিক্রি করেন কৃষকরা। আমরাও কম দামে ভালো চারা কিনতে পারি। এজন্যই এখানে আসা।”

Advertisement

বিক্রেতারা জানান, বাজারে বিআর ধান-২২, ব্রিধান-৪৯, বিনাধান-৭, বিনাধান-১৭, ব্রিধান-৫০, খাসা, কাটারিভোগ, কালিজিরাসহ বিভিন্ন জাতের ধানের চারা বিক্রি হচ্ছে।

ইয়াছিন নামে এক বিক্রেতা বলেন, “বাঙ্গরা বাজারে নানা জাতের চারা পাওয়া যাচ্ছে। ইব্রাহিমপুর, রতনপুর থেকেও  কৃষকরা এসে চারা নিয়ে যাচ্ছেন। এতে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।”

তাসকিনুজ্জামান নামে আরেক কৃষক জানান, “এবার চারার দাম ভালো। প্রতি বিঘা (৩০ শতাংশ) জমির জন্য ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ পড়ছে।”

কেবল নবীনগরই নয়, পাশের কসবা, দেবিদ্বার, মুরাদনগরের কৃষকরাও চারা কিনতে আসছেন এই হাটে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “চলতি মৌসুমে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা ৬৭৫০ হেক্টর। ইতিমধ্যে ৬৭৭০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরো কিছু জমিও আবাদ শেষ হবে। যেহেতু আমন মৌসুম বৃষ্টি নির্ভর সেহেতু এই চারার হাট এই অঞ্চলে রোপা আমন বৃদ্ধিতে দারুণ ভূমিকা রাখছে। কৃষি বিভাগ ভালো জাতের চারা উৎপাদনে সহযোগিতা করছে।

  • সর্বশেষ