শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৪৩ রাত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাঙা রেললাইনে ট্রেন চলাচল: রাজশাহীর মোহনপুরে পুনরায় উদ্বেগ

ইফতেখার আলম বিশাল : রাজশাহীর পবা উপজেলার মোহনপুর রেলক্রসিংয়ে আবারও ভাঙা রেললাইন দিয়ে ট্রেন চলাচলের ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রোববার (১৩ এপ্রিল) ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। পরে সকালেই রাজশাহী থেকে বনলতা ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেন ভাঙা লাইনের ওপর দিয়েই যাত্রা করে।

পথচারীরা লাইনের ভাঙা অংশটি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। এরপর সকাল ৮টার দিকে রেলের একদল কর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতের কাজ শুরু করে। যদিও ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এই একই স্থানে পূর্বেও রেললাইন ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় তা মেরামত করা হলেও আবারও একই জায়গায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী (পথ) কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, “লাইন ফেটে গেলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। আমাদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করেছে।” তবে তাঁর এই বক্তব্য পরিস্থিতির ভয়াবহতা পুরোপুরি প্রতিফলিত করে না বলে অনেকের মত।

রেললাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণে আরও যত্নবান হওয়া জরুরি। বারবার একই স্থানে সমস্যা তৈরি হওয়া রেলওয়ের তদারকি দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।

এমন ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে হবে। প্রযুক্তিনির্ভর ইনস্পেকশন সিস্টেম চালু করা যেতে পারে। স্থানীয়দের সচেতনতা ও দ্রুত তথ্য দেয়ার কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও এমন সহযোগিতাকে উৎসাহিত করতে হবে। ভবিষ্যতে বড় দুর্ঘটনা এড়াতে সময়মতো প্রতিক্রিয়া এবং আগাম সতর্কতা নেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়