শিরোনাম
◈ লুৎফুজ্জামান বাবর দম্পতির স্বর্ণ ১৪০ ভরি, নগদ ও ব্যাংকে আছে ২০ কোটি টাকা ◈ আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ◈ টেকনাফে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব ◈ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি ◈ সমঝোতা জটিলতায় ১১ দলীয় জোটে উন্মুক্ত আসনের সম্ভাবনা ◈ পুরোনো রাজনীতি বনাম নতুন ব্যবস্থা: বাংলাদেশের সামনে কঠিন নির্বাচন ◈ মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে বাংলাদেশি কর্মীর নিঃস্বার্থ মানবিকতা ভাইরাল, সৌদি কর্তৃপক্ষের সম্মাননা ◈ শিক্ষার লক্ষ্য চাকরির প্রস্তুতি নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়া: দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে ড. ইউনূস ◈ ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে ◈ বেনাপোল বন্দরে পাসপোর্টধারী যাতায়াত ১,৫২১ জন, আমদানি–রফতানি ৩০০ ট্রাক

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৮:২৩ রাত
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৫, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহিপুরে প্রশাসনের নির্দেশে সরিয়ে ফেলা হলো ফুল বাগানে অবৈধ নির্মিত দোকান

জাকারিয়া জাহিদ,কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর মহিপুরে সরকারী জমিতে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য নির্মিত বাগানের ফুল ও ফল গাছ কেটে দুটি দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে হারুন নিকেল ও রাছেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে। এসময় একটি বট গাছ কেটে ফেলা হয়। দোকান ঘর দুটি নির্মানের পর পরই স্থানীয়দের তোপের মুখে পরেন ওই দখলকারীরা। পরে রবিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ঘর দুটি সরিয়ে ফেলা হয়।

সরজমিনে জানা যায়, প্রায় ৯ বছর আগে মহিপুর সেতু সংলগ্ন সরকারী জমিতে একটি বাগান গড়ে তোলেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাগানে হরেক পদের ফল ও ফুল গাছ লাগানো হয়। এ বাগানটি এখন সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে ওই এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার কয়েকটি ফুল গাছ, কয়েকটি ফল গাছ ও একটি বট গাছ কেটে দুটি দোকান ঘর নির্মান করে হারুন নিকেল ও রাছেল হাওলাদার। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষোভে ফুসে ওঠে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের নির্দেশে দোকান ঘর দুটি সরিয়ে ফেলা হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্থি ফিরে আসে।

মহিপুর এলাকার ব্যবসায়ী মিজান বলেন, এই বাগানটি করা হয়েছে বন্দরকে সৌন্দর্য করার জন্য। এটা কারো ব্যক্তিগত নয়। এটা আমাদের সকলের। গাছ কাটার অপরাধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি। স্থানীয় মুদি ব্যাবসায়ী ইব্রাহীম বলেন, এখানে একটি বটগাছ ছিলো সেটি কেটে জঘন্যতম অপরাধ করেছে। এতে আমরা ব্যথিত। যিনি বট গাছ কেটেছেন তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।মহিপুর ইউনিয়া যুবদল কর্মী রিপন মুসুল্লি বটগাছি কাটায় জনসম্মুখে প্রতিবাদ জানান এবং দুঃখ প্রকাশ করেন। 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘর সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেই। উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়ার সাথে সাথে দখলদাররা ঘর সরিয়ে ফেলে। এর পুনরাবৃত্তি ঘটলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়