শিরোনাম
◈ একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা ◈ বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে চমক ও বঞ্চনা—আলোচনায় থেকেও বাদ বহু পরিচিত মুখ ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের ক্রিকেটার বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে ‌দি‌ল্লির হাসপাতা‌লে ভর্তি, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই কর‌ছেন  ◈ অব‌হেলায় ২৪ কার্টন পড়ে আছে মানবাধিকার কমিশনে, ঝুঁকিতে গুম কমিশনের স্পর্শকাতর তথ্যপ্রমাণ ◈ পিএসএলে কোনও চুক্তিই হয়নি! তাহলে কেন মুজারাবানিকে নিষেধাজ্ঞা? যুক্তি দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ◈ ডোপিংয়ে ‘ক্যাটেগরি এ’-তে ভারত, ভাবমূর্তিতে ধাক্কা, বাড়লো আন্তর্জাতিক নজরদারি ◈ সাতসকালে ভূমিকম্প : রাজধানীসহ দেশজুড়ে কম্পন অনুভূত ◈ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বছরে গ্রাহকের অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় ১১ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা ◈ আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণে আধুনিক যুগে বাংলাদেশ ◈ ইরান যুদ্ধের প্রভাব, রেমিট্যান্স হ্রাসে চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি : দ্য ইকোনমিস্ট

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৪, ০৫:১১ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ১৫ দিন পর মারা গেল সেলিম

আমিন হোসেন, নলছিটি: [২] কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় অফিস যাওয়ার পথে ব্র‌্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ হওয়া ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সেলিম তালুকদার বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) মারা গেছেন।

[৩] তিন বোন আর এক ভাইয়ের মধ্যে সেলিম ছিলেন মেজ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন সেলিম। বছর খানেক আগে বিয়ে ও করেন তিনি, কিন্তু তার এই চলার পথ দীর্ঘায়িত হয়নি।

[৪] গত ১৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন সেলিম তালুকদার রমজান। ১৫ দিন গুলির ক্ষত নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন তিনি।

[৫] নিহত সেলিম তালুকদার রমজান ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার পৌর শহরের  সুলতান তালুকদারের ছেলে। বিজিএমই ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে দুই বছর আগে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করে নারায়ণগঞ্জের মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডায়িং মিলস লিমিটেডের সহকারী মার্চেন্ডাইজার পদে চাকরি করতেন।

[৬] বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সেলিমের মরদেহ বাড্ডা লিংক রোডের বাসায় নেয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শুক্রবার সকাল ১০টায় গ্রামের বাড়ি নলছিটিতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সেলিমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এর আগে রাত আড়াইটার দিকে তার মরদেহ বাড়ি পৌঁছলে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় তার আত্মীয়স্বজন ও সহপাঠীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

[৭] নিহত সেলিমের পিতা সুলতান তালুকদার জানান, ঘটনার দিন সেলিম বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন। এ সময়  মাথায়, বুকে ও পিঠে গুলি লাগে। ফুসফুসেও লাগে গুলি, চার হাসপাতাল ঘুরে শেষে  ধানমণ্ডির পপুলারে ভর্তি করা হয় সেলিমকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়