শিরোনাম
◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা ◈ ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব : ইশরাক হোসেন ◈ সংস্কার, বাণিজ্য ও অভিবাসন: ইইউর সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ বাংলাদেশের ◈ বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুলিশের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:৪৫ রাত
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে সোনালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

ফরিদপুর প্রতিনিধি: [২] ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল জলিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করে ঋণ বিতরণের দায়ে ফরিদপুরের মধুখালীর সোনালী ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (০৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দুদকের ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

[৩] চার্জশিটভুক্ত পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- সোনালী ব্যাংকের মধুখালী শাখার শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হাসান, শাখাটির কর্মকর্তা মীর আব্দুর রউফ, এবিএম একরামুল হক, মো. হাফিজুর রহমান ও মো. সাহিদুর।

[৪] দুদক ফরিদপুর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের মধুখালী শাখার ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হাসানসহ ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজসে জাল জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করে একই নামে একাধিক ঋণ বিতরণ করে; একই সাথে ভূয়া পর্চা বা জাল পর্চা সৃজন ও দাখিলের মাধ্যমেও অকৃষক বা ভূমিহীনদের মধ্যে ঋণ বিতরণ করে তারা। 

[৫] দুদক জানায়, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ঋণ বিতরণ করে সর্বমোট ১০১১টি লোন কেসের মাধ্যমে নিয়মবর্হিভূতভাবে ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫'শ টাকা বিতরণ করেন ওই পাঁচ কর্মকর্তা। বিতরণ পরবর্তী ৬ হতে ৮ বছর পর্যন্ত অতিবাহিত হওয়ার পরেও তাদের বিরুদ্ধে উক্ত ঋণ কেসগুলোর বিপরীতে ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৩৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫'শ ৬০ টাকা আদায় করে এবং ৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ১৬ হাজার ৩'শ ৪৯ টাকা বকেয়া রেখে সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে পেনালকোডের ৪০৯/৪২০/১০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। 

[৬] দুদক আরও জানায়, অতঃপর ফরিদপুরের দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার আবুল বাসার তাদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। যার অভিযোগপত্র নম্বর-২। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়