শিরোনাম
◈ নির্বাচনের দিন নেতাদের যত অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ◈ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:৪৫ রাত
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০৮:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে সোনালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

ফরিদপুর প্রতিনিধি: [২] ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল জলিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করে ঋণ বিতরণের দায়ে ফরিদপুরের মধুখালীর সোনালী ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (০৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দুদকের ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

[৩] চার্জশিটভুক্ত পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- সোনালী ব্যাংকের মধুখালী শাখার শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হাসান, শাখাটির কর্মকর্তা মীর আব্দুর রউফ, এবিএম একরামুল হক, মো. হাফিজুর রহমান ও মো. সাহিদুর।

[৪] দুদক ফরিদপুর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের মধুখালী শাখার ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হাসানসহ ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজসে জাল জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করে একই নামে একাধিক ঋণ বিতরণ করে; একই সাথে ভূয়া পর্চা বা জাল পর্চা সৃজন ও দাখিলের মাধ্যমেও অকৃষক বা ভূমিহীনদের মধ্যে ঋণ বিতরণ করে তারা। 

[৫] দুদক জানায়, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ঋণ বিতরণ করে সর্বমোট ১০১১টি লোন কেসের মাধ্যমে নিয়মবর্হিভূতভাবে ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫'শ টাকা বিতরণ করেন ওই পাঁচ কর্মকর্তা। বিতরণ পরবর্তী ৬ হতে ৮ বছর পর্যন্ত অতিবাহিত হওয়ার পরেও তাদের বিরুদ্ধে উক্ত ঋণ কেসগুলোর বিপরীতে ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৩৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫'শ ৬০ টাকা আদায় করে এবং ৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ১৬ হাজার ৩'শ ৪৯ টাকা বকেয়া রেখে সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে পেনালকোডের ৪০৯/৪২০/১০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। 

[৬] দুদক আরও জানায়, অতঃপর ফরিদপুরের দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার আবুল বাসার তাদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। যার অভিযোগপত্র নম্বর-২। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়