শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩, ০২:৪৪ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩, ০২:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টানা ৩ দিন দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা

দূষণ কমাতে পানি ছিটাচ্ছে ডিএনসিসি

পানি ছিটাচ্ছে ডিএনসিসি

মাজহারুল ইসলাম : বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় টানা ৩ দিন রাজধানী ঢাকা আবারো প্রথম স্থানে উঠে এসেছে। রোববারের পর সোমবার সকাল ৮টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ২৯৩ নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থান ধরে রেখেছে ঢাকা। এর আগে গত শনিবারও শীর্ষে ছিল রাজধানী ঢাকা। 

এর আগে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এবং এ বছরে জানুয়ারির শুরু থেকে একাধিকবার তালিকার শীর্ষে ছিল ঢাকা।

এ অবস্থায় বায়ুদূষণ কমাতে অত্যাধুনিক মেশিনে নিজেদের এলাকায় পানি ছিটাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। বায়ুদূষণ কমাতে ধুলাবালি নিবারণে ডিএনসিসি অত্যাধুনিক স্প্রে ক্যাননের মাধ্যমে পানি ছিটানোর কাজ করছে।

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকাটি নিয়মিত প্রকাশ করে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। সোমবার সকালে সেই তালিকায় একিউআই ২৯১ ও ২১৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় উজবেকিস্তানের তাসখন্দ ও তৃতীয় স্থানে আছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। একিউআই স্কোরে ঢাকা, তাসখন্দ ও নয়াদিল্লির পরেই আছে ভিয়েতনামের হ্যানয় (১৮৯)। এরপর আছে চীনের তিনটি—শহর উহান (১৭৩), চংগিং (১৭১) ও চেংডু (১৭০)। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার দূষিত বাতাসের শহরের এ তালিকা প্রকাশ করে।


এদিকে. ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন জানান, অত্যাধুনিক স্প্রে ক্যাননের মাধ্যমে সোমবার সকালে বনানী নেভি গেইট থেকে স্প্রের কাজ শুরু করে ক্যানন-১। এটি বিমানবন্দর, উত্তরা হাউস বিল্ডিং হয়ে আবার বনানী কবরস্থান এলাকায় এসে কাজ শেষ করে। 

অন্যদিকে, ক্যানন-২ মিরপুর রোড, মাজার রোড সিগন্যাল থেকে স্প্রের কাজ শুরু করে। এরপর গণভবন এলাকা, মানিক মিয়া এভিনিউ, বিজয় স্মরণি, জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ফার্মগেট,কারওয়ানবাজার, মগবাজার হয়ে গাবতলী গিয়ে পানি ছিটানো শেষ করে। প্রতিটি গাড়িতে ১৫ হাজার লিটার পানি ধরে এবং একটানা ৫ ঘণ্টা স্প্রে করতে পারে। এছাড়া রাস্তা ভেজানোর জন্যও রয়েছে স্প্রিং লেয়ার সিস্টেমও।

মহাসড়ক ছাড়াও ডিএনসিসি এলাকার অন্যান্য সড়কগুলোতে ১০টি ওয়াটার ব্রাউজার (পানি ছিটানোর মেশিন) দিয়ে প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে দুইবার পানি ছিটানো হচ্ছে। শীতকালে ধুলাবালির পরিমাণ বেশি থাকায় পানি ছিটানোর কাজ চলমান থাকবে।

এমআই/এইচএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়