শিরোনাম
◈ বন্ধ ছি‌লো পাঁচ বছর, আবারো চালু হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার  ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্প বল‌লেন,  নিরাপত্তার খাতিরে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ঠিক হবে না  ◈ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব: দেশে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম ◈ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা: শনিবারও মধ্যপ্রাচ্যের ২৪ ফ্লাইট বাতিল ◈ শীর্ষ ইরানি নেতাদের তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা ◈ জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পারের অনুমতি দেবে ইরান ◈ যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পের দাবি: ইরান আত্মসমর্পণের পথে ◈ গ্রিড লাইনে সমস্যায় আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিট বন্ধ, ঘাটতি ৫৭০ মেগাওয়াট ◈ ইরানের ৪৪০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামই যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করতে পারে: বিশ্লেষক ◈ ঘটনাবহুল ম্যাচে বাংলাদেশকে হা‌রি‌য়ে  সিরিজ সমতায় পা‌কিস্তান

প্রকাশিত : ১৪ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪৫ সকাল
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত একুশে বইমেলা, ভিজে নষ্ট বহু বই

অমর একুশে বইমেলার শেষপ্রান্তে এসে প্রকাশকদের হতাশার সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দুশ্চিন্তা। শুক্রবার রাতে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মেলা প্রাঙ্গণে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া,রশিলাবৃষ্টিতে অনেক স্টলের বই ভিজে যায় ও নষ্ট হয়। শেষ সময়ে এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েন প্রকাশক ও স্টলকর্মীরা। তবে  বই শুকানো ও গুছানোর চেষ্টা চলতে দেখা গেছে স্টলগুলোতে, যাতে শনিবার সকাল ১১টায় ন্যূনতমভাবে হলেও স্টল খুলে পাঠকদের সামনে বসতে পারেন স্টল মালিকরা।

শুক্রবার বিকেলের পর থেকেই মেলার পরিবেশে যোগ হয় আরেকটি অনিশ্চয়তা -আবহাওয়া। আকাশ ক্রমেই গম্ভীর হয়ে ওঠে। মেলার তথ্যকেন্দ্রের মাইক থেকে বারবার স্টল মালিকদের আবহাওয়া বিবেচনায় বই গুছিয়ে রাখার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়।

রাত আটটার দিকে হঠাৎ ঝোড়ো বাতাসের সঙ্গে শুরু হয় বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি। এতে মেলার অনেক স্টলে রাখা বই ভিজে যায়। ঝড়ো বাতাসে কিছু স্টলের সামনের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অনেক প্রকাশক ও স্টলকর্মী তখন তড়িঘড়ি করে বই সরিয়ে শুকনো জায়গায় নেওয়ার চেষ্টা করেন। কেউ প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দেন বইয়ের স্তূপ, কেউ বা ভেজা বই আলাদা করে রেখে দেন শুকানোর জন্য। অনেক স্টলেই কর্মীদের রাত পর্যন্ত ভেজা বই বাঁচানোর চেষ্টায় ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

বাংলা একাডেমির মূল আয়োজন মঞ্চ সহ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মেলা প্রাঙ্গণের অনেক জায়গার স্টলের সামনে পানি জমে গেছে শিলাবৃষ্টিতে।

বাতিঘর-এর স্বত্ত্বাধিকারী দীপঙ্কর দাশ সমকালকে বলেন, মেলা চলাকালীন বৃষ্টি হওয়ায় লোকজন ছিল। তাৎক্ষণিক কিছু বই রক্ষা করা গেছে। তবু আমাদের স্টলে ৫০টার বেশি বই নষ্ট হয়েছে। মেলায় তো কয়েকটি স্টল ভেঙে গেছে। অনেক স্টলে আরো বেশি ক্ষতি হয়েছে।

তবে ঝড়-বৃষ্টির আগ পর্যন্ত শুক্রবার ছিল এবারের মেলার অন্যতম জমজমাট দিন। সকাল ১১টায় মেলা শুরুর পর থেকেই সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত দর্শনার্থী ও পাঠকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

উল্লেখ্য, আগামী রোববার শেষ হবে এবারের বইমেলা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়