শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:১৯ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানীতে গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে বাড়ছে নৃশংস অপরাধ

রাজধানীর কর্মব্যস্ত জীবনে গৃহকর্মী এখন অপরিহার্য হলেও এই সুযোগে বাসাবাড়িতে বাড়ছে নৃশংস অপরাধের ঘটনা। নিরীহ বেশভূষায় কাজে ঢুকে এক শ্রেণির গৃহকর্মী চুরি ও ডাকাতি থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ডের মতো ভয়ংকর অপরাধ ঘটাচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত অন্তত পাঁচটি বড় অপরাধের ঘটনায় গৃহকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করছে যেখানে অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির দারোয়ান বা কেয়ারটেকারদের যোগসাজশ পাওয়া যাচ্ছে।

বিগত বছরগুলোতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড এবং ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন খুনের ঘটনায় গৃহকর্মীদের জড়িত থাকার বিষয়টি দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। এছাড়া ইস্কাটন ও পল্লবী এলাকায় খাবারের সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে গৃহকর্তাদের অজ্ঞান করে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও অলংকার চুরির নেপথ্যেও ছিল বিশ্বস্ত গৃহকর্মীরা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে কোনো ধরনের পরিচয়পত্র বা স্থায়ী ঠিকানা যাচাই ছাড়াই এসব অপরাধীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

গৃহকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতের স্পষ্ট ছয় দফা নির্দেশনা এবং পুলিশের কঠোর সতর্কতা থাকলেও বাস্তবে নগরবাসীদের মধ্যে সচেতনতা খুবই কম। আদালত নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনো নতুন কর্মীকে নিয়োগের পর প্রথম ৯০ দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে এবং তাঁর ছবি ও জীবনবৃত্তান্ত থানায় জমা দিতে হবে। এছাড়া বাসাবাড়ির প্রবেশপথে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের কথা বলা হলেও এর প্রয়োগ নেই বললেই চলে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তারা বারবার পরামর্শ দিচ্ছেন যে নিয়োগের আগে কর্মীর নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তা অবশ্যই যাচাই করতে হবে। পরিচিত কারো সুপারিশ বা পূর্ববর্তী কাজের সঠিক রেফারেন্স নেওয়া নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়াকে আইনি বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সুরক্ষার প্রধান উপায় হিসেবে দেখছে প্রশাসন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়