শিরোনাম
◈ ১০ জনের লিভারপুলকে ৩-০ গো‌লে ম‌্যান‌চেস্টার সিটি ◈ রিকশা ভাড়া থেকে ভিক্ষা সবই হবে ডিজিটাল বাংলা কিউআর পেমেন্টে, মিলবে না ভাংতির ঝামেলা ◈ ১০০ টাকায় বিক্রি জিদানের সাবেক ক্লাব, ষষ্ঠ ডিভিশনে বোর্দো ◈ রাজধানীতে সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার, জানা গেল কারণ ◈ সৌদির প্রধান বিমানবন্দর ব্যবহারে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল ওয়াশিংটন ◈ দ্বিতীয় প্রান্তিকে নিট বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১২.৭৮% ◈ দিল্লিতে আজ বিরোধীদের বড় বিক্ষোভ, রাজপথে নামছে ‘ইন্ডিয়া’ জোট ◈ স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে আরও ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে এনসিপি ◈ পাকিস্তানকে হা‌রি‌য়ে ত্রিদেশীয় সি‌রি‌জের ফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল ◈ বিমসটেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে দিল্লি যাচ্ছেন না সালাহউদ্দিন আহমদ, যাচ্ছেন জ্যেষ্ঠ সচিবের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১১:০৫ রাত
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ০২:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন চান এমপি ও বিশিষ্টজনেরা

খালিদ আহমেদ: [২] বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮: চড়া মূল্য দিচ্ছে কারা?’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে আইনটি সংশোধনের এ দাবি করা হয়। আবার সাইবার জগৎকে নিরাপদ করতে আইনটিই বাদ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন কেউ কেউ।

[৩] ওয়েবিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, কিছু অতিউৎসাহী লোক মামলা করেন। যেমন মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলা করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে বলা হয়েছে, একটি অপরাধকে ঘিরে একাধিক বিচার করারই সুযোগ নেই; একাধিক মামলা করা তো দূরের কথা।

[৪] একাধিক মামলা থেকে কীভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে, তা দেখতে হবে বলে জানান মন্ত্রী।

[৫] ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ডিজিটাল আইনে করা মোট ৮৩৫টি মামলার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে সিজিএস। এসব মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২২ জন এবং তাঁদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৭০৭ জন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যায় রয়েছেন রাজনীতিবিদেরা, এরপর সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা।

[৬] প্রধানমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে এই সময়ে ৯৫টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে দলীয় সমর্থকেরা করেছেন ৮২টি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী করেছে ১৩টি। মন্ত্রীদের মানহানির জন্য ৫০টি মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে মাত্র চারটি করেছেন ভুক্তভোগীরা, বাকিগুলো করেছেন দলীয় সমর্থকেরা।

[৭] ডিজিটাল আইনের প্রয়োজন আছে, কিন্তু আইনটির কিছু ধারা সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি। তিনি বলেন, আইনের মধ্যে অনেক রকম ফাঁক আছে। এই ফাঁকফোঁকর দিয়ে যেন জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয়।

[৮] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়া খুব ব্যয়বহুল ব্যাপার। সব ধরনের মানুষের উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এ কারণে আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব দেন তিনি।

[৯] ডিজিটাল আইন সংশোধন নয়, বাতিল চান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন ২০০৬-এর মধ্যেই হ্যাকিংসহ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায় এমন অপরাধের বিষয়ে আইন ছিল। সেখানে যদি না-ও থেকে থাকে, তাহলে সেটিকে যুগোপযোগী করে এই প্রতিরোধ ব্যবস্থাগুলো তৈরি করা যেতে পারে।

[১০] সরকারি দল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক। তিনি বলেন, আইনে অস্পষ্টতা রাখায় ভিন্নমত ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মী, অধিকারকর্মী, সাংবাদিকেরা বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আইনের যে ধারাগুলো নিয়ে আপত্তি, সবার সঙ্গে আলোচনা করে তা সংশোধন করা উচিত।

[১১] আর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির বার্তাপ্রধান জহিরুল আলম বলেন, এই আইনে সাংবাদিকেরা চড়া মূল্য দিচ্ছেন। সাংবাদিকেরা নিজেরাই বুঝতে পারেন না, কোন কথা বলার কারণে তাঁরা এই আইনের আওতায় অপরাধী হচ্ছেন।

  • সর্বশেষ