শিরোনাম
◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ চাকরির ফাঁদে বাংলাদেশিদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাঠানোর প্রমাণ পেল জাতিসংঘ ◈ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কাটিয়ে সচল জাতীয় গ্রিড, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ◈ রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের ◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২২, ০১:৫৪ দুপুর
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২২, ০১:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বরই চাষে নতুন চমক সৃষ্টি করলেন সিরাজগঞ্জের শিক্ষক

সোহাগ হাসান: [২] স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার আশায় বল সুন্দরীসহ উন্নত জাতের বরই কৃষকের ভাগ্যে উন্নয়নে নতুন চমক সৃষ্টি করেছে সিরাজগঞ্জে। লাল আপেলের মতো দেখতে। বরই গাছের ডাল জুড়ে থোকায় থোকায় ঝুলছে সু-স্বাধু মিষ্টি বরই। স্থানীয়দের নিকট কাশ্মীরি বরইগুলো আপেল কুল, বল সুন্দরী, বাড়ি কুল ও টক-মিষ্টি হিসেবে পরিচিত।

[৩] ইতোমধ্যে বাগান থেকে বরই সংগ্রহ ও বাজার জাতকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে বাজারদর ভালো থাকায় বরই চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। স্বল্প সময়ে অধিক ফলন ও লাভবান হবার ফলে বরই চাষে ঝুঁকছে চাষীরা।

[৪] জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবছর জেলার সদর উপজেলায় ৭৬, শাহজাদপুর ৫, উল্লাপাড়া ২, কাজিপুর ৩৮, রায়গঞ্জ ২৫, বেলকুচি ১৮, কামারখন্দ ৬, চৌহালী ৩ ও তাড়াশ ২১ সহ মোট ১৯৪ হেক্টর জমিতে আপেল কুল, বল সুন্দরী ও বাড়ি কুল বরইগুলো চাষ হয়েছে।

[৫] সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের খাঘা গ্রামের স্কুল শিক্ষক জুলফিকার। তিনি ২০০৯ সালে প্রায় সাড়ে ৭ বিঘা জমি বর্গায় ১০০টি চারা দিয়ে এই আপেল কুল চাষ শুরু করেন। বর্তমানে বাগানে ২৫০টিরও বেশি গাছ রয়েছে।

[৬] জুলফিকার আলী বলেন, ৬৫ হাজার টাকায় সাড়ে ৭ বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে কুল চাষ করে আসছি। প্রতি বছর জমির ভাড়া ও বাগান পরিচর্যায় প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। প্রথম দুই বছরে লাভ কম হলেও বর্তমান ভালো হচ্ছে।

[৭] তিনি আরও বলেন, বাগান থেকে কুল সরাসরি পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিটি গাছে ২৫ থেকে ৩০ কেজি আপেল কুল ধরেছে। বাগানে প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি করছি। দামটাও বেশ ভালো পাচ্ছি।

[৮] প্রতিবছর এই গাছগুলোর পরিচর্যা ও জমির প্রায় ৩লাখ টাকা খরচ হয়। আর বিক্রি করেন ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

[৯] জুলফিকার আলী জেলার কাজীপুর উপজেলার বীর শুভগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি বর্তমানে তিনি একজন সফল কুল চাষি হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

[১০] সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোঃ আবু হানিফ বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উন্নত জাতের আপেল কুলের চাষ হচ্ছে জুলফিকার আলীসহ ২০/২৫ এখন অভিজ্ঞ কুল চাষী রয়েছেন। কৃষি অফিস থেকে তাদের সব ধরণের সহযোগিতা করছি আমরা। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ