শিরোনাম
◈ আজ থেকে বাংলা কিউআরের বাধ্যতামূলক ব্যবহার, সহজ হবে ডিজিটাল লেনদেন ◈ ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে ঢাকার ৬০ শতাংশ এলাকা ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাতিল বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা ◈ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয়ে গ্রাহকদের বিশেষ বার্তা দিলো বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ◈ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের আদেশ অবৈধ ঘোষণা ◈ ভারতীয় ভিসা আবেদনে সুখবর, অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটের ঝামেলা থাকছে না; ১ জুলাই থেকে কার্যকর ◈ টবের সাধারণ গাছের পাতায় লুকিয়ে শহর পরিকল্পনার গাণিতিক নকশা ◈ শেখ হাসিনার যে দায়, হাসানুল হক ইনুরও একই দায়: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ভারতের অরুণাচলে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, ঐতিহ্যবাহী জমি দখলের দাবি আদিবাসীদের ◈ নোট বাতিলের প্রস্তাব: অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? সফলতা কতটা? মুদ্রা বাতিলে যত ঝুঁকি

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২২, ০১:৩০ রাত
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০২২, ০১:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতি: ওমিক্রনে আক্রান্তদের ৭৩ শতাংশের ক্ষেত্রেই ছিল সর্দির উপসর্গ

নিউজ ডেস্ক: ধীরে ধীরে সারাদেশে কোভিড-১৯ এর ডেল্টা ভেরিয়েন্টের জায়গা নিচ্ছে ওমিক্রন। রবিবার (২৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের (ডিজিএইচএস) মুখপাত্র অধ্যাপক ড. নাজমুল ইসলাম এক স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯-এর ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট আক্রান্ত বলে শনাক্ত হওয়া ৭৩ শতাংশ মানুষের সর্দির উপসর্গ দেখা গেছে। অন্যদিকে ৬৮ শতাংশের মাথা ব্যথা, ৬৪ শতাংশের ক্লান্তি এবং ৬০ শতাংশের হাঁচি রয়েছে। ৬০ শতাংশ রোগীর গলা ব্যথার লক্ষণ দেখা গেছে এবং ৪৪ শতাংশের কাশি হয়েছে।

নাজমুল বলেন, আমাদের এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে, মৌসুমী ফ্লু এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার সঙ্গে লক্ষণগুলোর মিল রয়েছে। সুতরাং, এরকম উপসর্গ দেখা দিলে আমাদের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ। গত তিন মাসের তুলনায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করি, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

আজ ২৩ জানুয়ারি বাংলাদেশে ১০ হাজার ৯০৬ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে এবং করোনাভাইরাসে একদিনে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিদিনের বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪ হাজার ৮৫৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ দশমিক ২৯ শতাংশ কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিপদসীমার অনেক নিচে রয়েছে কারণ দেশে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে কোভিড-১৯ আক্রান্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে পাঁচ শতাংশেরও কম পজিটিভ দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে ২০২১ এর ২৭ নভেম্বরের পর বাংলাদেশের জন্য নতুন সতর্কতা জারি করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়