প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শিশু করোনা আক্রান্ত কিনা ও এমআইএস-সি বুঝবেন যেসব লক্ষণে: ডা. প্রবীর কুমার সরকার

শাহীন খন্দকার:[২] বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার ডেল্টার পরে ওমিক্রন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৃতীয় ঢেউ বাংলাদেশেও ধীরগতিতে হলেও আছড়ে পড়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে সংক্রমন তবে এবার সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িঁয়েছে বড়দের পাশাপাশি ছোটদের ও সংক্রমন হওয়ার খবর আসছে। এতে অভিবাবকদের দূশচিন্তার ভাজঁ পড়েছে কপালে।

[৩] রাজধানীর শ্যামলী শিশু হাসপাতাল ও ইনিস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. প্রবীর কুমার সরকার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাড়ির বড়দের সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ভারতের নিওনেটলজিস্ট নিশান্ত বনশাল এর উদ্বৃতি থেকে বেশ কিছু পরামর্শ তিনি দিয়েছেন। শিশুদের করোনায় আক্রান্তের লক্ষণ সর্ম্পকে তিনি বলেন, জ্বর-সর্দি শ্বাস নি:শ্বাসের সমস্যা হলে অভিবাবককে শর্তক থাকতে হবে।

[৪] ঠান্ডা লাগার অন্যান্য লক্ষণ সর্ম্পকে তিনি বলেন, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ, গলা ব্যথা; কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা,শিশুর খাবারে অনিহা ঘুম কম অস্থ্যিরতা, বমি-বমিভাব, বমি হওয়া, ডায়রিয়া ক্লান্তিসহ গা-হাত পায়ে ব্যাথা, মাথা ব্যাথা হলেই চিকিৎসকের শরানপন্ন হয়ে তশিশুর চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, অনেক সময় করোনা আক্রন্ত হওয়ার পরে শিশুর সারা শরীরে প্রদাহ দেখা দিচ্ছে।

[৫] অনেক সময়, করোনা সংক্রমণের কয়েক সপ্তাহ পরও এসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের ভাষায় এটিকে বলা হচ্ছে, মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লেমেটরি এন চিল্ড্রেন (এমআইএস-সি)। ডা. প্রবীর কুমার সরকার বলেন, শিশুর করোনার লক্ষণ নিয়ে আরও গবেষণা করছে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। নিশান্ত বনশালের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন,সন্তানেরও যদি এমআইএস-সি’র সমস্যা হয় তাহলে তার শ্বাস নিতে কষ্ট হবে। এছাড়াও শিশু বুকে পিঠে চাপ অনুভব করবে, ঠোঁট আর মুখ নীলচে হয়ে যাবে ।

[৬] বাংলাদেশে সদ্যজাত শিশু থেকে ২১ বছর বয়সীদের জন্য একটি নতুন স্বাস্থ্য সংকট হয়ে দেখা দিচ্ছে মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রোম (এমআইএস-সি)। ডা. প্রবীর বলেন, ২০২০ সালের এপ্রিলের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যে প্রথম শনাক্ত হয় এমআইএস-সি।

[৭]একে পেডিয়াট্রিক মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রোমের আকারে গুরুতর কোভিড-১৯ কার্ডিওভাসকুলার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল, যার কাওয়াসাকি রোগের (কেডি) বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোভিড-১৯ এর কারণে সৃষ্ট এমআইএস-সি হলে রোগীর পরিস্থিতি কেডি’তে আক্রান্ত রোগীর চেয়ে অবনতি হয়।

[৮]এমআইএস-সি’র কারণে সৃষ্ট গুরুতর পরিস্থিতিতে হৃদ ক্রিয়ার আকস্মিক অবনতি হতে পারে, অনিয়মিত ভাস্কুলার ওয়ালের সঙ্গে করোনারি ধমনীর ডাইলেশন হতে পারে, ভালভ ফুটো হতে পারে, হাইপোটেনশন হতে পারে, কার্ডিওজেনিক শকসহ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হতে পারে। ফলে, শিশুদের মধ্যে হৃদকম্পন বেড়ে যাওয়া, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে থাকা,অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অস্বস্তিতে ভোগা এবং শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়ার মত উপসর্গ দেখা দেয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত