শিরোনাম
◈ বোয়িং থেকে পরমাণু সহযোগিতা, তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরে কী কী অর্জন হলো? ◈ বেদখল জমি ৩ মাসে ফেরত, সুফল পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা ◈ কোটি টাকার রাজস্বেও নাগরিক সুবিধাহীন শালবাহান হাট : টয়লেট-পানির সংকট, ময়লায় নাকাল ক্রেতা-বিক্রেতা ◈ নয়াদিল্লির বাইরে নতুন রূপরেখায় বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি সাজাচ্ছে বাংলাদেশ ◈ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ বিদেশে যাওয়ার আগে দক্ষতা প্রশিক্ষণ নেই দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশি কর্মীর, বেতন-বৈষম্যে পিছিয়ে ◈ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিয়োগপত্র না পাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি, দ্রুতই দেওয়া হবে: প্রার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবা, রুটি-চা এনে নিজের হাতে খাওয়াল ছোট্ট মেয়ে ◈ জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক থেকে আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক ◈ গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো গণতান্ত্রিক সরকারের পথ নয়: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:৪০ দুপুর
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৪:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সাভার হানাদার মুক্ত দিবস আজ

ইমদাদুল হক: [২] আজ ১৪ ডিসেম্বর, সাভার হানাদার মুক্ত দিবস। তাই সাভারবাসীর জন্য আজ গৌরবের দিন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাক হানাদার থেকে মুক্ত হয় সাভার।

[৩] বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে সাভার থানার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ঘোষবাগ কাঠালবাগান এলাকায় নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে একদল মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের সম্মুখযুদ্ধ হয়। এদিন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা টিটোর আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে হানাদারমুক্ত হয় সাভার। তাঁর মহান আত্মত্যাগের কথা আজও সাভারবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে করে।

[৪] সেদিন র্দীঘ সময় যুদ্ধ চলার পর পাকিস্তানি সেনারা বাঙালী যোদ্ধারের দাপটে পিঁছু হাটতে শুরু করে। সে সময় বাঙালী যোদ্ধারা বিজয়ের উল্লাসে মেতে ওঠেন। এরই এক পর্যায়ে পিঁছু হাটা এক পাক সেনার গুলিতে মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোহাম্মদ দস্তগীর টিটু গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। পরে তাকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের জাহাঙ্গীরনগর ডেইরি ফার্ম গেটের কাছে তাকে সমাহিত করা হয়। তার এই আত্মত্যাগের কথা আজও সাভারবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণে করে।

[৫] স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের বর্ণনা মতে, ভারতের অন্তিমনগর থেকে ২নং সেক্টরের অধীনে ৫২ জন গেরিলা শিমুলিয়া ইউনিয়নের গাজীবাড়ি এলাকার নেদু খাঁর বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করেন। দেড় মাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কয়েক শতাধিক নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাকে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা ইয়ারপুরের তৈয়বপুর ক্যাম্পে চলচ্চিত্রকার নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে আরও একটি ক্যাম্প তৈরি করেন।

[৬] ১৯৭১ সালে সাভারে বিভিন্ন সময় খণ্ড খণ্ড যুদ্ধ সংঘঠিত হয়েছে। ঢাকার প্রবেশমুখ হওয়ায় সবসময় পাক হানাদারদের চলাচল ছিল। তাই মাঝে মধ্যেই পাকিস্তানী বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তেন মুক্তিযোদ্ধারা।

[৭] গোলাম দস্তগীর টিটোর সহযোদ্ধাদের কাছ জানা গেছে, টাঙ্গাইল থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর পাক হানাদার বাহিনী সাভারের আশুলিয়ায় ঘাঁটি নির্মাণ করে। ১৪ ডিসেম্বর আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ঘোষবাগ কাঠালবাগান এলাকায় নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বে পাক হানাদারদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। এসময় মুক্তিযোদ্ধা ও হানাদার বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের এক পর্যায়ে সহযোদ্ধাদের নিষেধ উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় পাকবাহিনীর গুলিতে নিহত হন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর টিটো। এরপরেও যুদ্ধ চালিয়ে যান মুক্তিযোদ্ধারা। যুদ্ধে হানাদার বাহিনী পরাজিত হয়ে পিছু হটে। পরবর্তীতে সাভারকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

  • সর্বশেষ