প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আবরারকে যেভাবে হত্যা করা হয়

মাজহারুল ইসলাম: [৩] ২০১৯ সালে শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর রুমে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। এই হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বিকেলে কুষ্টিয়ার গ্রামের বাড়ি থেকে বুয়েটে ফেরেন আবরার। ওইদিন দিবাগত রাত ৮টার দিকে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী আবরারের কক্ষে গিয়ে ডেকে নিয়ে যান ২০১১ নম্বর কক্ষে।

[৪] ওই কক্ষে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল ও সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ। তারা আবরারের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সেটি যাচাই করেন। এক পর্যায়ে আবরারকে তার ফেসবুক আইডি ওপেন করতে বলেন। পরে তারা তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ঘেঁটে তাকে ছাত্র শিবিরের নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

[৫] এরপর মেহেদী হাসান ও মুহতাসিম ফুয়াদের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন ‘শিবির’ ধরা হয়েছে উল্লেখ করে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে আবরারকে মারধর শুরু করেন। নির্মম মারধরের এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে আবরারের দেহ। রাত দুইটার পর তাকে ওই কক্ষ থেকে বের করে হলের সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়। পরে সিঁড়িতে নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারেন আবরারকে হত্যা করা হয়েছে।

[৬] ওই ঘটনার পর কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছিলেন, পেটাতে পেটাতে আবরারকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেন ছাত্রলীগের নেতারা। আবরার তাতে রাজিও হন। তারপরও তাকে ছাড়া হয়নি, নৃশংস ও নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত