শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল ◈ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ঘণ্টায় গড় আয় ২০ ডলারের বেশি ◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:৪৯ রাত
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসান শান্তনু: মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে রাজনীতি যতোটা হয়েছে

হাসান শান্তনু
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, একদিকে জীবন, অনদিকে মৃত্যু। মধ্যে অবস্থান তাঁর প্রাণের। ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসারত। স্বদেশকে হায়েনামুক্ত করতে আরও দিন বেঁচে থাকার আর্তি চোখে, মুখে, উচ্চারণে বেশ জড়তা। একদিন চিকিৎসকদের জানান, লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে সরাসরি গান শুনতে চান। প্রাণের কী উদ্ভট কাঙ্গালপনা। মরে যাওয়ার আগের ক্ষণে মানুষের এমন সাধও জাগে। ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের ওই যোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হলে একপর্যায়ে তাঁকে নেওয়া হয় ভারতের হাসপাতালে। কীভাবে যেন লতা মঙ্গেশকরের কাছেও খবর পৌঁছায়, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের এক শ্রেষ্ঠ সন্তানের শেষ ইচ্ছা মৃত্যুর আগে তাঁর কণ্ঠে গান শোনা। পরদিনই লতাজি ছুটে যান ওই হাসপাতালে।

প্রিয় শিল্পীকে এতো কাছে থেকে দেখে আহত বীরের চোখে অপার বিস্ময়! শিয়রের পাশে বসে তাঁর কপালে হাত বুলিয়ে লতা গান শোনাচ্ছেন। গান শেষে লতা টের পান- যোদ্ধার শরীর ঠাÐা, নিথর। চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন গান শুনতে শুনতে ওই মুক্তিযোদ্ধার চিরবিদায় হয় পৃথিবী থেকে। লতার চোখও ভিজে যায় অশ্রæতে। যে দেশের মাটি ছুঁয়ে দিলে শহীদ, রণাঙ্গনে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তে ভিজে যায় হাতের সব আঙুল, সেই দেশের এক শহীদের চোখ চিরতরে নিভে আসে লতার গান শোনে। গানটি ছিলো- ‘লাগ যা গালে, কি ফির ইয়ে হাসিন রাত হো না হো, শায়েদ ফির ইস জনম ম্যা মোলাকাত হো না হো’। বিশুদ্ধ আবেগের গান।

এ জীবনে আর দেখা হয়, কী না হয় (শায়েদ ফির ইস জনম ম্যা মোলাকাত হো না হো)- ওই শহীদ কি নিজের দেশটার সঙ্গে আর দেখা হয়, কী না হয়- এমনটাই ভাবেননি শেষ নিঃশ্বাসের আগে? তাঁরা যেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, তেমন দেশ কি আমরা গত পঞ্চাশ বছরেও পেয়েছি? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে রাজনীতি যতোটা হয়েছে, এ তুলনায় চেতনার কতোটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে? মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে যারা রাজনীতি করেন, তাদের মধ্যে সবাই কি ব্যক্তিগত জীবনে আদর্শগুলো লালন করেন? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ