শিরোনাম
◈ ডিসেম্বরের মধ্যে পান্থকুঞ্জে এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্প চালুর নির্দেশ ◈ দেশে ৩৭ শতাংশের বেশি ভবন অগ্নিঝুঁকিতে ◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী ◈ ডিসি-এসপির সহায়তায় ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন চুয়েট উপাচার্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান (ভিডিও) ◈ দুর্দান্ত লড়াই করে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে ম্যাচ ড্র করলো আফগানিস্তান ◈ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড়, বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী ◈ বাংলাদেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, বিদেশি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:৪৯ রাত
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ০১:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসান শান্তনু: মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে রাজনীতি যতোটা হয়েছে

হাসান শান্তনু
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, একদিকে জীবন, অনদিকে মৃত্যু। মধ্যে অবস্থান তাঁর প্রাণের। ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসারত। স্বদেশকে হায়েনামুক্ত করতে আরও দিন বেঁচে থাকার আর্তি চোখে, মুখে, উচ্চারণে বেশ জড়তা। একদিন চিকিৎসকদের জানান, লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে সরাসরি গান শুনতে চান। প্রাণের কী উদ্ভট কাঙ্গালপনা। মরে যাওয়ার আগের ক্ষণে মানুষের এমন সাধও জাগে। ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের ওই যোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হলে একপর্যায়ে তাঁকে নেওয়া হয় ভারতের হাসপাতালে। কীভাবে যেন লতা মঙ্গেশকরের কাছেও খবর পৌঁছায়, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের এক শ্রেষ্ঠ সন্তানের শেষ ইচ্ছা মৃত্যুর আগে তাঁর কণ্ঠে গান শোনা। পরদিনই লতাজি ছুটে যান ওই হাসপাতালে।

প্রিয় শিল্পীকে এতো কাছে থেকে দেখে আহত বীরের চোখে অপার বিস্ময়! শিয়রের পাশে বসে তাঁর কপালে হাত বুলিয়ে লতা গান শোনাচ্ছেন। গান শেষে লতা টের পান- যোদ্ধার শরীর ঠাÐা, নিথর। চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন গান শুনতে শুনতে ওই মুক্তিযোদ্ধার চিরবিদায় হয় পৃথিবী থেকে। লতার চোখও ভিজে যায় অশ্রæতে। যে দেশের মাটি ছুঁয়ে দিলে শহীদ, রণাঙ্গনে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তে ভিজে যায় হাতের সব আঙুল, সেই দেশের এক শহীদের চোখ চিরতরে নিভে আসে লতার গান শোনে। গানটি ছিলো- ‘লাগ যা গালে, কি ফির ইয়ে হাসিন রাত হো না হো, শায়েদ ফির ইস জনম ম্যা মোলাকাত হো না হো’। বিশুদ্ধ আবেগের গান।

এ জীবনে আর দেখা হয়, কী না হয় (শায়েদ ফির ইস জনম ম্যা মোলাকাত হো না হো)- ওই শহীদ কি নিজের দেশটার সঙ্গে আর দেখা হয়, কী না হয়- এমনটাই ভাবেননি শেষ নিঃশ্বাসের আগে? তাঁরা যেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, তেমন দেশ কি আমরা গত পঞ্চাশ বছরেও পেয়েছি? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে রাজনীতি যতোটা হয়েছে, এ তুলনায় চেতনার কতোটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে? মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে যারা রাজনীতি করেন, তাদের মধ্যে সবাই কি ব্যক্তিগত জীবনে আদর্শগুলো লালন করেন? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ