শিরোনাম
◈ অবশেষে শৃঙ্খলায় ফিরছে ১০২২ লাইটার জাহাজ, বিডব্লিউটিসিসির বিশেষ সফটওয়্যার চালু ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চালু হচ্ছে না থার্ড টার্মিনাল, সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার ◈ ইউরোপে কে আসবে সিদ্ধান্ত নেবে ইউরোপই: অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর ইইউ ◈ নারী প্রশ্ন, ভোটার মাইগ্রেশন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নির্বাচনি রাজনীতিতে উত্তাপ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক কর্মবিরতির পর কড়া ব্যবস্থা, সরাসরি বুকিং ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, বিএনপিপন্থী চার নেতা বদলি ◈ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে উপমার লাশ, হিসাব মিলছে না কারও ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করলো পাকিস্তান ◈ তুরস্ক ভিসা এখন ঢাকায়: কোথায়, কখন, কত ফি—সব তথ্য এক নজরে ◈ জুলাই সনদে গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংস্কার, ‘না’ জিতলে কী হবে? ◈ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৭ হাজার টন গম

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫০ রাত
আপডেট : ১৫ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিদ্দিক মাহমুদ: হুমায়ূন আহমেদই প্রথম কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্য’কে ‘বাংলাদেশের সাহিত্য’ বানিয়ে দিতে পেরেছিলেন

সিদ্দিক মাহমুদ: হুমায়ূন আহমেদই প্রথম কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্য’কে ‘বাংলাদেশের সাহিত্য’ বানিয়ে দিতে পেরেছিলেন। এমন একসময় এসেছিলো, যে সারা একুশে বইমেলায় একটাও কলকাতাভিত্তিক বই বিক্রি হতো না। টিএসসির সামনে, চারুকলার সামনে রিকশা ভ্যানে করে কলকাতাভিত্তিক বই বিক্রি করা হতো। এতে কলকাতাপ্রেমীরা প্রবল ক্রোধান্বিত হয়েছিলেন। তারা নানাভাবে হুমায়ূন আহমেদকে অপমান/অপদস্ত করে থাকেন। হুমায়ূন আহমেদ যেকোনো সাহিত্যিকেই না সেটা প্রমাণ করতে সর্ব মেধা, সর্ব শক্তি ব্যয় করেন। এমনকি শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান মনেপ্রাণে, স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষ হুমায়ূন আহমেদকে ‘রাজাকার মানসিকতাসম্পন্ন’, ইসলামবিরোধী বলে চালাতেও সচেষ্ট হন।

এতে তাদের লাভ? লাভ হলো হুমায়ূন আহমেদের পাঠক কমে গেলে কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্যের পাঠক বাড়বে’। হুমায়ূন আহমেদ মরে গেলেও সেই ধারা আজও বিদ্যমান। এ দেশের পাঠক কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্য পড়া কমিয়ে দিয়েছে, এ দেশের পাঠক আজকাল বাংলাদেশি লেখকের বই পড়ছে। আগ্রহভরেই পড়ছে।’ কলকাতাপ্রেমীদের চরম গাত্রদাহ তো হবেই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়