শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫০ রাত
আপডেট : ১৫ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিদ্দিক মাহমুদ: হুমায়ূন আহমেদই প্রথম কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্য’কে ‘বাংলাদেশের সাহিত্য’ বানিয়ে দিতে পেরেছিলেন

সিদ্দিক মাহমুদ: হুমায়ূন আহমেদই প্রথম কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্য’কে ‘বাংলাদেশের সাহিত্য’ বানিয়ে দিতে পেরেছিলেন। এমন একসময় এসেছিলো, যে সারা একুশে বইমেলায় একটাও কলকাতাভিত্তিক বই বিক্রি হতো না। টিএসসির সামনে, চারুকলার সামনে রিকশা ভ্যানে করে কলকাতাভিত্তিক বই বিক্রি করা হতো। এতে কলকাতাপ্রেমীরা প্রবল ক্রোধান্বিত হয়েছিলেন। তারা নানাভাবে হুমায়ূন আহমেদকে অপমান/অপদস্ত করে থাকেন। হুমায়ূন আহমেদ যেকোনো সাহিত্যিকেই না সেটা প্রমাণ করতে সর্ব মেধা, সর্ব শক্তি ব্যয় করেন। এমনকি শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান মনেপ্রাণে, স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষ হুমায়ূন আহমেদকে ‘রাজাকার মানসিকতাসম্পন্ন’, ইসলামবিরোধী বলে চালাতেও সচেষ্ট হন।

এতে তাদের লাভ? লাভ হলো হুমায়ূন আহমেদের পাঠক কমে গেলে কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্যের পাঠক বাড়বে’। হুমায়ূন আহমেদ মরে গেলেও সেই ধারা আজও বিদ্যমান। এ দেশের পাঠক কলকাতাভিত্তিক ‘বাংলা সাহিত্য পড়া কমিয়ে দিয়েছে, এ দেশের পাঠক আজকাল বাংলাদেশি লেখকের বই পড়ছে। আগ্রহভরেই পড়ছে।’ কলকাতাপ্রেমীদের চরম গাত্রদাহ তো হবেই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ