শিরোনাম
◈ পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী! ◈ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সংশোধন করে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি ◈ পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সতর্ক করে যা বললেন গভর্নর ◈ মা-বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করলেন তারেক রহমান ◈ চার বছর পর বিশ্বকাপে খেল‌তে নে‌মে জয়ে শুরু জিম্বাবুয়ের ◈ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষর: ১৯ শতাংশে নামল শুল্ক, তৈরি পোশাকে নতুন সুবিধা ◈ ট্রাম্পের হামলা হুমকির মধ্যে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি ◈ ইন্টারনেট-টেলিযোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছে ইসি ◈ অবশেষে পিছু হটলো ইসি, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার  ◈ যে কারণে এবারের বাংলাদেশ নির্বাচন ঘিরে ভারতের বিশেষ আগ্রহ ও তীক্ষ্ণ নজর

প্রকাশিত : ১২ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫৬ রাত
আপডেট : ১২ নভেম্বর, ২০২১, ০১:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চিররঞ্জন সরকার: কিছু চিরন্তন হতাশামূলক বাণী

চিররঞ্জন সরকার
সবসময় আমিই তাকে/তাদের ফোন দিই। ও/তারা কোনোদিন আমাকে ভুল করেও একটা ফোন দেয় না। তাকে/তাদের আমি সারাজীবন ভাই, বোন, সন্তানের মতো মানুষ করলাম, নিজের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভবিষ্যৎ বিসর্জন দিলাম, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সব আব্দার মেটালাম, অথচ দিন ফেরার পর সে/তারা আজ আমাকে চেনে না। আমি জীবনভর শুধু খেটেই গেলাম, দিয়েই গেলাম, বিনিময়ে পেলাম শুধু অপমান, উপেক্ষা, আর লাঞ্ছনা। মানুষের জন্য এতো কিছু করলাম, কিন্তু কেউ কৃতজ্ঞতাটুকু দেখাল না। কারও জন্য কোনো কিছু করে কোনো লাভ নেই, আমি বিপদে পড়লে কারও কাছ থেকে পাঁচ পয়সার সাহায্যও পাই না। আমি হলাম ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা। আমাকে দিয়ে সবাই খালি কাজ করিয়ে নিতে চায়, ব্যবহার করতে চায়। মানুষ শুধু পেতে চায়, খেতে চায়। কিন্তু দেওয়া ও খাওয়ানের বেলায় চোখ উল্টে দেয়। সবাই স্বার্থপর। সবাই আমাকে শুধু ভুল বোঝে। আমার গুরুত্ব কেউ বুঝলো না। সে আসলে একটা ধান্দাবাজ। সে একটু বেশি বোঝে। সে আসলে কিছু বোঝে না। আমার দুঃসময়ে কাউকে পাশে পাইনি। আমার বিপদের সময় মানুষ চিনলাম।

উল্লিখিত কথাগুলো বেশিরভাগ মানুষের কাছেই শুনি। মানুষ আসলে অভিযোগ করতে ভালোবাসে। নিজেকে মহৎ ভাবার পাশাপাশি রিক্ত, নিঃস্ব, অসহায় ও বঞ্চিত হিসেবে পরিচয় দিয়ে সম্ভবত এক ধরনের আনন্দ পায়। তবে জগতে সুখী হওয়ার সবচেয়ে বড় উপায় হলো মহাভারতে বর্ণিত শ্রীকৃষ্ণের মুখনিসৃত সেই বাণী: ‘কর্ম করিয়া যাও, ফলের আশা করিও না।’ প্রত্যক্ষ লাভ, উপকার ও প্রতিদানের আশা না করে নিজের কর্তব্য করে যেতে পারলে হয়তো অভিযোগ আর হতাশামূলক বাণী কম শোনা যাবে। কিন্তু জগতে তা কি সম্ভব? Chiroranjan Sarker-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়