প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জনতা-রূপালী ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

খালিদ আহমেদ: [২] জনতা ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা এবং রূপালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই বোর্ড সভার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। গুরুতর অপরাধ করায় ওই কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।

[৩] বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কেউই আইনের ঊর্ধ্বে না। কোনো অনিয়ম করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আমাদের বোর্ড থেকে শিগগির এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

[৪] রূপালী ব্যাংকের দায়িত্বশীল ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কেউ গুরুতর এমন অপরাধ করলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত হন। পরে তার অপরাধ প্রমাণ হলে তিনি আর যোগদান করতে পারবেন না। আমাদের ওই কর্মকর্তাকেও গ্রেপ্তার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে কিছু নিয়ম-রীতি রয়েছে, বোর্ড তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

[৫] প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে পূবালী ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকেও বরখাস্ত করেছে ব্যাংকটি। ব্যাংকটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার (১০ নভেম্বর) রাতে মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

[৫] গত ৬ নভেম্বর থেকে বুধবার (১০ নভেম্বর) পর্যন্ত ডিবি তেজগাঁও বিভাগের জোনাল টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

[৬] ওই টিমের হাতে প্রথমে গ্রেপ্তার হন প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যায়ের আইসিটি টেকনিশিয়ান মোক্তারুজ্জামান রয়েল (২৬), জনতা ব্যাংকের গুলশান শাখার কর্মকর্তা শামসুল হক শ্যামল (৩৪), রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জানে আলম মিলন (৩০), পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান মিলন (৩৮) ও নিয়োগপ্রার্থী স্বপন।

সর্বাধিক পঠিত