প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজের অগ্রগতি ৮৮ শতাংশ

রিংকু রায় : নেত্রকোণার মোহনগঞ্জের বাহাম গ্রামে শৈলজা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৮৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তবে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে এ প্রকল্প শেষ হচ্ছে না বলে জানান জেলা গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলী হাসিনূর রহমান।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পের জন্য সংশোধিত টেন্ডারে জার্মান থেকে লিফট আনা হবে। ওই লিফট সংযোজন করার পরপরই ২০২২ সালের জুন মাসে হস্তান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ও বর্তমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান- এর বিশেষ উদ্যোগে এই একাডেমী করা হচ্ছে।

প্রখ্যাত রবীন্দ্র সঙ্গীতজ্ঞ শৈলজারঞ্জন মজুমদারের জন্মভিটা বাহাম গ্রামে ওই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের বাহাম গ্রামে ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ৩২ একর অধিগ্রহণকৃত জমিতে ওই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

এ প্রকল্পে ৩ তলা বিশিষ্ট একাডেমি ভবন, এম্ফিথিয়েটার, কনফারেন্স হল রুম, গ্রন্থাগার, জাদুঘর, সীমানা দেয়াল, একাডেমি চত্বর ও পুকুর সংম্বলিত অত্যাধুনিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে থাকবে আধুনিক সুবিধার কিয়স্ক। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অধীন জেলা গণপূর্ত বিভাগ এর তত্ত্বাবধানে ও সরকারী অর্থায়নে (জিওবি) ২টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম জামাল অ্যান্ড কোম্পানী ও বাছেদ প্রকৌশলী এ প্রকল্প কাজ করছে।

মোহনগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছাব্বির আহমেদ আকুঞ্জি জানান, এ একাডেমি চালু হলে সাংস্কৃতিক প্রচার, নতুন শিল্পী তৈরির পথ সুগম হবে। একই সঙ্গে শিল্প-সাহিত্যে শৈলজারঞ্জন মজুমদারের অবদান দেশবাসীর কাছে তুলে ধরা যাবে। তাছাড়া এলাকাটি পর্যটন শিল্পের বিকাশে উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ বলেন, ‘প্রত্যাশিত গতিতে এগিয়ে চলছে একাডেমি নির্মাণের কাজ। এরই মধ্যে সার্বিক কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৮ শতাংশ। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হবে একাডেমি নির্মাণ কাজ’।

প্রসঙ্গত, প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ শৈলজারঞ্জন মজুমদার ১৯০০ সালের জুলাই মাসে মোহনগঞ্জের বাহাম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রবীন্দ্র সংগীতের স্বরলিপি তৈরি করেন। ১৯৩৯ সালে শান্তি নিকেতনের সংগীত ভবনের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি ১৯৮৫ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘দেশিকোওম’ সম্মাননা পান।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত