শিরোনাম
◈ পাতে ক্যানসারের ঝুঁকি? ইউরোপে নিষিদ্ধ ক্যানসার সৃষ্টিকারী রাসায়নিকে চাষ হচ্ছে ভারতীয় কৃষিপণ্য! ◈ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা ◈ বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ বাড়াতে আনোয়ার ইব্রাহিমের সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান ◈ খেলার দুই অ‌র্ধে হাইড্রেশন ব্রেক কিছুই দিচ্ছে না, কেড়ে নিচ্ছে ফুটবলের সৌন্দর্য: উরুগু‌য়ে কোচ ◈ জুলাই মা‌সে অস্ট্রেলিয়া সফরই হ‌বে বাংলাদেশের আসল পরীক্ষা, বললেন ব্র্যাড হগ ◈ ‘সিস্টার-সিটি’ হতে যাচ্ছে ঢাকা-ইসলামাবাদ ◈ শুরু হলো তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ◈ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য মাউশির বড় সুখবর, বাড়ল ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ◈ চূড়ান্ত নকশা সম্পন্ন, বাস্তবায়নের পথে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প ◈ পুত্রজায়ায় রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার সঙ্গে একাধিক চুক্তি সই আজ

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২১, ০২:০২ রাত
আপডেট : ১০ নভেম্বর, ২০২১, ০২:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যতো নামী, তার আচরণের রুক্ষতা ততো বেশি

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
আমি আজ পর্যন্ত যেসব প্রতিষ্ঠানে আচরণগত সৌজন্যের চ‚ড়ান্ত অভাব পেয়েছি তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দারোয়ান থেকে শুরু করে প্রধান শিক্ষক পর্যন্ত এই অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থাকেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যতো নামী তার আচরণের রুক্ষতা ততো বেশি। এই অভিজ্ঞতা আমার বিগত দশ বছরের, একজন ছাত্রের অভিভাবক হিসেবে। স্কুলে গেলে নিজেকে মনে হয় একজন পুত্রদায়গ্রস্ত পিতা। এজন্য পারতপক্ষে ছেলের স্কুলে আমি যাই না। সম্প্রতি গিয়েছিলাম নতুন একটি স্কুলে। প্রধান শিক্ষকের দরজায় দাঁড়িয়ে বললাম, ‘আসতে পারি?’ তিনি আসতেও বলেননি। আমি তাঁর নীরবতা উপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকলাম। নিজের পরিচয় দিলাম। বসতেও বলেননি। আমি বসে পড়লাম। কী আর করবো! দরকারি কথা সেরে চলে এলাম। পুরো আলাপচারিতায় সুআচরণের কোনো চিহ্ন নেই। যেন আমি চাকরি চাইতে এসেছি। ভাবলেশহীন মুখে ‘চাকরি নেই’ বলা ছাড়া তার আর কাজ নেই।

আমাদের সময় বাবা-মায়েরা যখন স্কুলে যেতেন শিক্ষকরা তাদের অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে বসাতেন। স্কুলের বাকি ছাত্রদের মধ্যেও চাঞ্চল্য তৈরি হতো ‘উজ্জ্বলের আব্বা আসছে।’ আব্বা মাঝে মাঝে স্যারদের জন্য কেক, বিস্কুট, ফল কিনে নিয়ে যেতেন। স্যারেরা চা আনাতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। কেউ আবার ভাববেন না আমি চা খেতে চেয়েছি। ওই আশা আমি করি না। বোধহয় ঢাকা শহরের রীতিই এটা। প্রতিটি অভিভাবকই এখানে সন্তানদায়গ্রস্ত। মন ছোট করে এখানে ঢুকতে হয়। আমি সম্মান পেলাম না সেটা হয়তো সামান্য বিষয়। কিন্তু আমার আশঙ্কা হলো, আমাদের ছেলেমেয়েরা কী শিখছে? এই যে আমাদের অনেকের ছেলেমেয়েরাই সামাজিক সৌজন্যের অভাব ও কাউকে রিসিভ করার ক্ষেত্রে জড়তা দেখায় এটা কি এসব স্কুল থেকেই শেখা? বি.দ্র. ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে। লেখক : রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়