শিরোনাম
◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী ◈ মেয়ের নিখোঁজে বাবা-মায়ের উদ্বেগহীনতা সমাজের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ রিয়াদে ফ্লাইট বন্ধ, বিকল্প হিসেবে দাম্মাম ও মদিনায় পাঠানো হবে যাত্রীদের: বিমানমন্ত্রী ◈ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর চেয়েও বেশি আয় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের ◈ যে কারণে সারা দেশে এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২১, ০২:০২ রাত
আপডেট : ১০ নভেম্বর, ২০২১, ০২:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যতো নামী, তার আচরণের রুক্ষতা ততো বেশি

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
আমি আজ পর্যন্ত যেসব প্রতিষ্ঠানে আচরণগত সৌজন্যের চ‚ড়ান্ত অভাব পেয়েছি তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দারোয়ান থেকে শুরু করে প্রধান শিক্ষক পর্যন্ত এই অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থাকেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যতো নামী তার আচরণের রুক্ষতা ততো বেশি। এই অভিজ্ঞতা আমার বিগত দশ বছরের, একজন ছাত্রের অভিভাবক হিসেবে। স্কুলে গেলে নিজেকে মনে হয় একজন পুত্রদায়গ্রস্ত পিতা। এজন্য পারতপক্ষে ছেলের স্কুলে আমি যাই না। সম্প্রতি গিয়েছিলাম নতুন একটি স্কুলে। প্রধান শিক্ষকের দরজায় দাঁড়িয়ে বললাম, ‘আসতে পারি?’ তিনি আসতেও বলেননি। আমি তাঁর নীরবতা উপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকলাম। নিজের পরিচয় দিলাম। বসতেও বলেননি। আমি বসে পড়লাম। কী আর করবো! দরকারি কথা সেরে চলে এলাম। পুরো আলাপচারিতায় সুআচরণের কোনো চিহ্ন নেই। যেন আমি চাকরি চাইতে এসেছি। ভাবলেশহীন মুখে ‘চাকরি নেই’ বলা ছাড়া তার আর কাজ নেই।

আমাদের সময় বাবা-মায়েরা যখন স্কুলে যেতেন শিক্ষকরা তাদের অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে বসাতেন। স্কুলের বাকি ছাত্রদের মধ্যেও চাঞ্চল্য তৈরি হতো ‘উজ্জ্বলের আব্বা আসছে।’ আব্বা মাঝে মাঝে স্যারদের জন্য কেক, বিস্কুট, ফল কিনে নিয়ে যেতেন। স্যারেরা চা আনাতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। কেউ আবার ভাববেন না আমি চা খেতে চেয়েছি। ওই আশা আমি করি না। বোধহয় ঢাকা শহরের রীতিই এটা। প্রতিটি অভিভাবকই এখানে সন্তানদায়গ্রস্ত। মন ছোট করে এখানে ঢুকতে হয়। আমি সম্মান পেলাম না সেটা হয়তো সামান্য বিষয়। কিন্তু আমার আশঙ্কা হলো, আমাদের ছেলেমেয়েরা কী শিখছে? এই যে আমাদের অনেকের ছেলেমেয়েরাই সামাজিক সৌজন্যের অভাব ও কাউকে রিসিভ করার ক্ষেত্রে জড়তা দেখায় এটা কি এসব স্কুল থেকেই শেখা? বি.দ্র. ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে। লেখক : রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

  • সর্বশেষ