শিরোনাম
◈ ভোররাতে ৫.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট ◈ সীমান্তে ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধার মুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ ফেলে পালাল বিএসএফ ◈ ২০২৬ সালে ভ্রমণের জন্য সেরা ২০ আন্তর্জাতিক গন্তব্য ◈ ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ গণভোটের প্রচারে সরকারের উদ্যোগ: জনগণকে জানাতে সকল বিভাগে বড় আয়োজন ◈ মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে ঢাকাকে হারিয়ে রংপুরের শ্বাসরুদ্ধকর জয় ◈ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৮৪২, বাতিল ৭২৩ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত পরিবর্তনে কূটনৈতিক উদ্যোগে মার খাচ্ছে ভারত ◈ গুমের পেছনে মূলত ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কমিশন ◈ দিল্লিতে বসে থাকা ‘বোন’ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান: মোদিকে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২১, ০৩:১৩ রাত
আপডেট : ০৮ নভেম্বর, ২০২১, ১০:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দিওয়ালির বিদায়বেলায় ভারতের গ্রামে গোবর উৎসব

অনলাইন ডেস্ক: দিওয়ালির বিদায় মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে অভিনব উৎসব করলেন ভারতের একটি গ্রামের মানুষ। গতকাল শনিবার তাঁরা দল বেঁধে গরুর গোবরে মাখামাখি করলেন। শিশুরা একে অপরের প্রতি গোবর ছুড়ে আনন্দ করল।

তামিলনাড়ু ও কর্ণাটক সীমান্তবর্তী গ্রাম গুমাতাপুরা। এই গ্রামেরই ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘গোরেহাব্বা’। কয়েকশ বছর ধরে দিওয়ালির (দীপাবলি) সময় এই উৎসব করে আসছেন তাঁরা।

এটি স্পেনের ‘লা তোমাতিনা’ উৎসবের মতোই। লা তোমাতিনা উৎসবে স্পেনের মানুষেরা একে অপরের প্রতি পাকা টমেটো ছুড়ে মারেন। আর গুমাতাপুরা গ্রামের মানুষেরা ছোড়াছুড়ি করেন তুষার বলের আকারের গোবরের বল।

শনিবার বিকেলে গ্রামের মানুষেরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে গোবর সংগ্রহ করেন। এরপর ট্রাক্টরে করে সেই গোবর আনা হয় গ্রামের মন্দির প্রাঙ্গণে। একজন পুরোহিত গ্রামের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করার পর ট্রাক থেকে গোবরগুলো একটা স্থানে ফেলা হয়।

এরপর পুরুষেরা সেই গোবরের স্তূপে চড়েন এবং একে অপরের দিকে গোবরের বল ছুড়ে মারেন।


এই উৎসব দেখতে প্রতি বছর এই দিনে দূর দুরান্ত থেকে প্রচুর মানুষ গুমাতাপুরা গ্রামে জড়ো হয়। তাঁরা বিশ্বাস করেন, এভাবে গোবর ছোড়াছুড়িতে স্বাস্থ্যের অনেক উপকার হয়।

স্থানীয় কৃষক মহেশ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, এভাবে গোবর মাখলে শরীরের সব রোগ দূর হয়।


কোভিড মহামারির মধ্যেও ২০২০ সালে এই গ্রামে গোরেহাব্বা উৎসব করেছেন তাঁরা। স্থানীয় প্রশাসনও অনুমতি দিয়েছে। তবে লোকসংখ্যা কম ছিল।

হিন্দু ধর্মে গরু জীবন ও ব্রহ্মাণ্ডের পবিত্র প্রতীক। শত শত বছর ধরে হিন্দুরা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গরুর গোবর ব্যবহার করে আসছেন। বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোরক্ষায় বিশেষ জোর দিয়েছেন। বেশ কয়েকটি রাজ্যে গোহত্যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়