প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রার্থী জেতাতে একে-৪৭ ব্যবহারের হুমকির ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক : কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হুমাইপুর ইউনিয়নে দলের চেয়ারম্যান প্রার্থীর জনসভায় আওয়ামী লীগ নেতার ‘প্রয়োজনে একে-৪৭’ ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমেছে বাজিতপুর থানা পুলিশ। গত শনিবার বিকালে তদন্তের কাজে পুলিশের একটি দল হুমাইপুরে গেছে। ইত্তেফাক

তবে নির্বাচনী জনসভায় এধরনের বক্তব্যকে ‘আচরণবিধি পরিপন্থী’ বলে আখ্যা দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘রিটার্নিং অফিসার এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন’। আবার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিস সূত্রের ভাষ্য, এ ধরনের কোনো ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তার উদ্ধৃতি দিয়ে নির্দিষ্ট প্রমাণসহ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অভিযোগ করার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শনিবার বিকাল পর্যন্ত বাজিতপুর উপজেলা প্রশাসনে কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তরা হুমাইপুরের চৈতনপুর ও নামা গোসাইপুর গ্রামের মাঝখানের রাস্তার ওপর ঝোলানো দলীয় প্রতীক নৌকা পুড়িয়ে দেয়। এর প্রতিবাদে হুমাইপুর ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদরাসার মাঠে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাজিতপুর উপজলো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন শুক্রবার বিকালে হুমাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম ধনু মিয়ার পক্ষে আয়োজিত জনসভায় বলনে, ‘আমরা শুধু একে-৪৭ নয়, প্রয়োজনে যা যা দরকার, তা নিয়ে রফিকুল ইসলাম ধনু মিয়াকে পাস করাতে আসব।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রশাসন আমাদের, পুলিশ আমাদের, সরকার আমাদের। আর কিছু বলার দরকার আছে?

বাজিতপুর থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ ঊর্দ্ধতন অফিসারদের নির্দেশে পুলিশ তদন্ত করছে। বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এধরণের বক্তব্যের পেছনের ভিত্তি কী সে সম্পর্কেও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপন্থী। অভিযোগ করা হলে রিটার্নিং অফিসার ব্যবস্থা নেবেন’।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, জনসভার বক্তব্যে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি প্রমাণসহ গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে অভিযোগ দায়ের করবেন। তার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

সর্বাধিক পঠিত